প্রথম দু ম্যাচে ৯৫, ৯৭। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে ৮৯ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ নারী দল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর শেষ ব্যাটার মারুফা আক্তারের ১৪ বলে ১৫ রান। ৩ ম্যাচ মিলিয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোরটি ২৭ রানের। ফল, দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো কোনো সিরিজে হোয়াইটওয়াশ নারীরা।
ব্যাটারদের এমন পারফরম্যান্সে নিজেই বিস্মিত অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। মানসিক দিক দিয়ে প্রথম ম্যাচের পর থেকেই তারা পিছিয়ে পড়েছেন, সিরিজে এরপর আর ফিরতে পারেননি বলে মনে করেন তিনি।
ব্যাটাররা সামর্থ্যরে কতটুকু এ সিরিজে দিতে পারলেন প্রশ্নে গতকাল ম্যাচ শেষে জ্যোতি বলেন, ‘১০ শতাংশও না। কারণ, আমি নিজেও টোটালি সারপ্রাইজড (পুরোই বিস্মিত)। কারণ, গত ৬ মাসে যেভাবে ক্রিকেট খেলেছি, এটা একেবারেই অমন না। পুরো দল ব্যর্থ। দু-একটা দিকে ভুল হলে তবুও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পুরো দল ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট খেলছে। মনে হচ্ছে যে ব্যাকফুটে রেখেছে (কেউ), মনে হয় যে সামর্থ্যরে ১০ ভাগও খেলতে পারিনি।’
কেন খেলতে পারলেন না, জ্যোতি মনে করেন, ‘মনে হয় মানসিক ব্যাপার। কারণ, স্কিল অনুযায়ী তো সমস্যা আছে বলে মনে হয় না। যদি থাকত, তাহলে তো আগে ম্যাচ জিততে পারত না।’
মানসিক কোন দিক দিয়ে ব্যাটাররা পিছিয়ে ছিলেন, তা অবশ্য নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি জ্যোতি, ‘আমি জানি না সবার মধ্যে কী কাজ করছে। আমি তো সবাইকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কেন জানি সবাই ব্যাকফুটে ছিল প্রথম ম্যাচ থেকেই। সেখান থেকে খেলোয়াড়রা আর ফিরতে পারেনি।’ আগামী রবিবার থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্ট সিরিজ খেলতে হবে জ্যোতিদের।