তুরস্ক ফুটবল ফেডারেশনের একের পর এক সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জমেছিল ফেনারবাখ ক্লাবটিতে। তুর্কি সুপার কাপ ফাইনালে সেসব একসঙ্গে উগড়ে দিল ক্লাবটি। গ্যালাতেসারের বিপক্ষে ফাইনালে প্রথমে অনিয়মিত খেলোয়াড়দের নামিয়ে এবং তিন মিনিটের মাথায় তাদেরকে তুলে নিয়ে শিরোপা বিসর্জন দিয়ে বিশ্বের সামনে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ক্লাবটি।
ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে ট্রাবজনসপোর ক্লাবের বিপক্ষে সুপারলিগের ম্যাচে। খেলা শেষে দর্শকদের ধাওয়া খেতে হয় ফেনারবাখ খেলোয়াড়দের। ঘটে সংঘর্ষের ঘটনা। এতকিছুর পর ফেনারবাখের দুই ফুটবলার ইরফান ও জেয়ডেনকে নিষিদ্ধ করা হয় এক ম্যাচ করে। আর ট্রাবজনসপোর ক্লাব শাস্তি পায় ছয় ম্যাচ দর্শকহীন গ্যালারিতে খেলার। এমন একপেশে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় ফেনারবাখ।
এর আগে ২০১১ সালে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে কারাগারে যেতে হয়েছিল ফেনারবাখের সাবেক প্রেসিডেন্ট আজিজ ইয়ালিদিমিরকে। অথচ পরে দোষী প্রমাণিত হননি তিনি। ২০১৫ সালে একবার ফেনারবাখের টিম বাসে হয়েছিল বন্দুক হামলা। সেই ঘটনার পরও তুরস্ক ফুটবল ফেডারেশনের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
গতরাতের ফাইনালে ফেনারবাখ কোচ মাঠে নামিয়ে দেন তাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ফুটবলারদের। খেলার প্রথম মিনিটেই মাউরো ইকার্দি গোল করেন গ্যালাতেসারের হয়ে।
এরপরই কোচের নির্দেশে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান ফেনারবাখের খেলোয়াড়রা। পরে গ্যালাতেসারেকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। সঙ্গে বিশ্ববাসী সাক্ষী হয় ফুটবলে অভিনব এক প্রতিবাদের।