মনটেরির কাছে হেরে বিদায় মেসিদের

পুরো সময় খেললেন লিওনেল মেসি। কিন্তু তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারলেন না। মেক্সিকো সিটিতে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ৩-১ গোলে হেরে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপ থেকে বিদায় নিলো ইন্টার মায়ামি। প্রথম লেগে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা।

প্রতিপক্ষের মাঠে এদিন শুরুটা মন্দ ছিল না মায়ামির। বলের দখল রেখে প্রতিপক্ষ রক্ষণে চাপ তৈরির চেষ্টা করে তারা। তবে বল দখলে যতটা মুনশিয়ানা দেখিয়েছে, সুযোগ তৈরিতে তার ছাপ ছিল না। মেসি বল পায়ে চেষ্টা করছিলেন গোলের সুযোগ তৈরির, যদিও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ২৫ মিনিটে মেসির শট চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। বিপরীতে বলের দখল রাখতে না পারলেও সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল মনটেরে।

৩১ মিনিটে মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডারের হাস্যকর এক ভুলে পিছিয়ে পড়ে মায়ামি। পোস্টের কাছাকাছি জায়গা থেকে সতীর্থকে পাস দিতে গিয়ে তিনি বল তুলে দেন মন্টেরে স্ট্রাইকার ব্রান্ডন ভাসকুয়েজের পায়ে। এমন যেচে আসা সুযোগ হাতছাড়া করেননি ভাসকুয়েজ। লক্ষ্যভেদ করে মনটেরে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ গোলে এগিয়ে দেন। ৩৫ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মেসি। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির থ্রো পাস ধরে সুয়ারেজ গোল করলেও অফসাইডের ফাঁদে বাতিল হয় সেটি।

বিরতির পর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে মায়ামি। সবাই তখন তাকিয়ে ছিল মেসির জাদুকরী কিছুর জন্য। যদিও চোট কাটিয়ে ফেরা মেসি ছিলেন কিছুটা ছন্দহীন। এর মধ্যে ৫৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে মায়ামিকে স্তব্ধ করে দেন মনটেরের গেরমান বেরটেরমে। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া বুলেট শট থামানোর কোনো উপায় ছিল না মায়ামি গোলরক্ষকের।

দুই গোলে পিছিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে মায়ামি। এরপর ৬৪ মিনিটে মায়ামির আরেকটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন গালার্দো। তিন গোলে পিছিয়ে পড়ে মায়ামি আক্রমণাত্মক হয়ে একের পর এক ফাউল করতে থাকে। যার জেরে ৭৮ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জর্দি আলবা। ৮৫ মিনিটে ডিয়েগো গোমেজ গোল করলেও সেটি ছিল স্রেফ সান্ত্বনা। আর শেষ পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে ৫-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় মায়ামি।