মুশফিকের হাসি, তাসকিনের কান্না, আবাহনীর দশে দশ

আবাহনীর দেওয়া পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় যখন প্রাইম ব্যাংকের একে এক সব ব্যাটার ব্যর্থ তখন একা লড়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম। আঙ্গুলের ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে প্রায় একমাস পর ক্রিকেটে ফিরেই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। তার পরও ম্যাচ হারতে হয়েছে ৫৮ রানের ব্যবধানে।

নিশ্চিত জয়ের পথে থাকা আবাহনী শেষবেলায় পেয়েছে দুসংবাদ। হাসান মাহমুদের ক্যাচ নিতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছেন তাসকিন আহমেদ। স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে যেতে হয় তাকে। তার আগে অবশ্য নিজের ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে শিকার করেন ৩ উইকেট।

প্রাইম ব্যাংক ইনিংসের ৪৪তম ওভারে তানজিম হাসান সাকিবের করা শেষ বলে চোখ জুড়ানো পুল শটে তিন অঙ্ক ছোঁন মুশফিকুর রহিম। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটি তার ১৫তম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১০৫ বলে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

মুশফিকের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন আসরে ফর্মে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন। তবে তামিম ইকবাল ফেরেন ১ রানেই। জাকির হাসান ৮ ও শাহাদাত হোসেন দীপু ১২ রানে ফিরে যান সাজঘরে। ৯ম উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়া পেসার হাসান মাহমুদ ২৪ বলে করেন ৩৪ রান।

আবাহনীর হয়ে তাসকিন ছাড়াও তানজিম হাসান সাকিব ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত নেন ২ উইকেট।

এর আগে প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্ত ও নাঈম শেখের জোড়া সেঞ্চুরি ও তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ৬৫ রানের সুবাদে ৪ উইকেটে ৩৪১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় আবাহনী।

ডিপিএলে আজ একদিনেই চারটি সেঞ্চুরির দেখা মিলেছে। এই ম্যাচের তিন সেঞ্চুরির পাশাপাশি লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জের অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের খেলোয়াড় তাওফিক খান তুষার ৬৬ বলে ১২ চার ও ৮ ছক্কায় ১১৪ রান করেন। লিজেন্ডসও গাজী টায়ার্সকে হারায় ১০ উইকেটে। দিনের অন্য ম্যাচে পারটেক্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল।