চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘুরে দাঁড়ানোর অদম্য গল্প লিখল বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। সপ্তাহ খানেক আগে আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে ১-২ গোলে হেরে আসা জার্মানরা মঙ্গলবার ঘরের মাঠে ৭০ মিনিট পর্যন্তও ২-২ সমতায় ছিল। মানে আতলেতিকো এগিয়ে ৪-৩ গোলে। সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে শেষ ২০ মিনিটে দরকার ডর্টমুন্ডের আরও ২ গোল। ম্যাচটাকে অতিরিক্ত সময়ে নিতে হলেও চাই আরেকটি গোল।
এমন স্নায়ুচাপকে সঙ্গী করেই ৭১ মিনিটে ডর্টমুন্ডকে এগিয়ে নেন নিকলাস ফুলক্রুগ। মুহূর্তেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া দলটি ৩ মিনিট পরেই পায় আরেক গোল। এবার ত্রাতার ভূমিকায় মার্সেল সাবিৎজার। বাকিটা সময় ব্যবধানটা ধরে রেখে ডর্টমুন্ড ম্যাচ জিতল ৪-২ ব্যবধানে। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ অগ্রগামিতায় আতলেতিকোকে বিদায় করে ১১ বছর পর পৌঁছে গেল সেমিফাইনালে। সেখানে ডর্টমুন্ডের প্রতিপক্ষ পিএসজি।
এর আগে ২০১২-১৩ মৌসুমে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল (পরে ফাইনালেও) খেলেছিল বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। সে সময় দলটির কোচ ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। এছাড়া বরুসিয়া আর একটি বারই সেমিফাইনালে খেলেছিল, ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে। সেবার ফাইনাল খেলে তারা এবং চ্যাম্পিয়ন হয়।
বার্সেলোনার বিদায়ে ২০২৫-এর ক্লাব বিশ^কাপে খেলার সুযোগ হয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদের।