টাইগারদের বাঁহাতি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানই একমাত্র খেলছেন এবারের আইপিএলে। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন তিনি। মাঠে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে পেতে পারতেন আরেক বাংলাদেশি বাঁহাতি পেসারকে। তিনি শরিফুল ইসলাম। লখনৌ সুপার জায়ান্টস থেকে তিনি পেয়েছিলেন প্রস্তাব। তবে বিসিবি থেকে ছুটি না পাওয়াতে আর যাওয়া হলো না তার।
শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে জিম্বাবুয়ে সিরিজ, ঘরের মাঠে দুটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজের মাঝে এক মাসের মতো সময়ের জন্য শরিফুলকে ছাড়তে রাজি ছিল বিসিবি। কিন্তু আইপিএলের দলটি শরিফুলকে চেয়েছিল পুরো মৌসুমের জন্য। তবে বিসিবি তাকে এক মাসের বেশি সময় ছুটি দিতে চায়নি। সে জন্য আইপিএল খেলা হয়নি এই বাঁহাতি পেসারের।
এ ব্যাপারে আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের শরিফুল বলেছেন, ‘লখনৌ থেকে এসএমএস দিয়েছিল। তারা আমাকে চাচ্ছিল, কিন্তু এনওসির সময়টা খুব কম ছিল, যার জন্য তারা আর যোগাযোগ করেনি। যদি ফুল এনওসি দিত বিসিবি, তাহলে হতো। কিন্তু আমাদের যেহেতু জিম্বাবুয়ে সিরিজ আছে, সেটা চিন্তা করে এনওসি ওভাবে দেওয়া হয়েছিল।’
তবে ভবিষ্যতে আইপিএল খেলার আশা হারাচ্ছেন না এই বাঁহাতি পেসার। দারুণ ছন্দে থাকা শরিফুল জানালেন, ফর্ম ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আরও সুযোগ আসবে, ‘ইচ্ছে তো আছে, সুস্থ থাকলে যেভাবে যাচ্ছে এভাবে গেলে ইনশাআল্লাহ একদিন খেলব আইপিএল। যদি তখন কোনো খেলা না থাকে। আশা থাকবে, ইচ্ছেও আছে, সুযোগ পেলে ভালো কিছু করব ইনশা আল্লাহ।’
মোস্তাফিজের সঙ্গে অবশ্য নিয়মিত যোগাযোগ আছে শরিফুল। দুজনের মধ্যে কী নিয়ে আলাপ হয়, তার আভাসও দিয়েছেন এই বাঁহাতি, ‘তার সঙ্গে প্রায় দিনই কথা হয়। উনি বলেন ওখানে চাপ কম, সে জন্য হয়তো বা বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে।’
লখনৌয়ের চোখ সবসময়ই বাংলাদেশি পেসারদের দিকে তাক করা থাকে। এর আগে তাসকিন আহমেদকেও ২০২২ সালে তারা পেতে চেয়েছিল। তখন আবার ছিল জাতীয় দলের খেলা। তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগটাতে আর খেলা হয়নি তার।