দুজনের সেঞ্চুরি মার খেলো একজনের শতকের কাছে

কাজে এলো না সাইফ হাসান ও তাইবুর রহমানের সেঞ্চুরি। দুজনের ইনিংসটি মার খেলো মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ১০১ রানের কাছে। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের শতকে ভর করে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

শেখ জামালের দেওয়া ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল মোহামেডানের ব্যাট। তবে ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। ২০ বলে তিনি খেলেন ১৫ রানের ইনিংস। রুবেল মিয়াও ফিরে যান দ্রুতই। আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালানো রনি তালুকদার আউট হন ৪১ রান করে।

দলীয় ৬৯ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে গড়েন ১৭৯ রানের জুটি অঙ্কন আউট হন ১০১ রান করে। ১২২ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয় ছক্কা ও পাঁচ চারে। রিয়াদ অপরাজিত ছিলেন ৮৮ বলে ৮৭ রান করে। তার ব্যাট থেকে আসে তিনটি করে চার ও ছক্কা। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে শফিকুল ইসলামকে চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন আরিফুল ইসলাম।

শেখ জামালের হয়ে রিপন মন্ডল সর্বোচ্চ ২ উইকেট শিকার করেন।

এর আগে, ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মোহামেডান অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। শুরুতেই সৈকত আলি ও ফজলে মাহমুদ রাব্বির উইকেট ছিনিয়ে নেন মোহামেডান। সৈকত মিরাজের হাতে ক্যাচ দেন নাসুমের বলে। তবে রাব্বি রান আউট হন মিরাজেরই থ্রোতে। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে শেখ জামাল। তাতে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জেগেছিল।

তবে নিজেদের সেরাটা এদিনের জন্য যেন জমা করে রেখেছিলেন সাইফ হাসান ও তাইবুর রহমান। দুজনেই করেছেন সেঞ্চুরি। সাইফ ১৪৬ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় ১২০ রান করে নিয়েছেন ‘রিটায়ার্ড হার্ট’। ১১৪ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় তাইবুর রহমান ১০২ রান করে ছিলেন অপরাজিত। তাদের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রান সংগ্রহ করে শেখ জামাল।

মোহামেডানের হয়ে ১০ ওভার বল ঘুরিয়ে ২৮ রান খরচায় ২ মেইডেনসহ ১ উইকেট শিকার করেন নাসুম।