টঙ্গীর ভূমিদস্যু কামরুজ্জামান ওরফে কামরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী।
আজ বুধবার (২৪ এপ্রিল) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা হলেন সাকিল আহমাদ, তানজিলা রহমান, শামসুর রহমান, আমিনুর রহমান, ইব্রাহিম হোসাইন, রেশমা রোকেয়া, আনিছুর রহমান, হাজারি জাকিয়া হোমায়রা, ফজলুল কবির রিমন ও এসকে তানজিল ফাহাদ।
আবেদনে দখলে থাকা খাল বিলসহ সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার, সম্পদের উৎসের সন্ধান ও কামরুলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘জমি-খাল গিলে খান রহস্যময় কামরুল’ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি ‘চার হাজার কোটির সরকারি জমি সেই কামরুলের পেটে’ শিরোনামে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এই আবেদন করা হয়েছে বলে জানান অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ।
দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আবেদনে বলা হয়, অন্যথায় এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হবে। প্রতিবেদনের বরাতে আইনজীবীদের আবেদনে বলা হয়, এক সময় স্থানীয় বাজারে মাছ বিক্রি করলেও জমি, খাল-বিল দখল করে ভূমিদস্যু কামরুল এখন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। দখলকৃত জমিতে তৈরি করেছেন শিল্পকারখানা ও একাধিক হাউজিং প্রকল্প। আবেদনে বলা হয়, পরিবেশ আইন ও জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, যে কোনো জলাশয়, পুকুর, নদী, খাল, বিল, হাওর ও দীঘি ভরাট নিষিদ্ধ। কিন্তু সংবাদপত্রে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরও কামরুলের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।