চট্টগ্রামের পথে আগামীকাল রওয়ানা দেবে এমভি আবদুল্লাহ। সব ঠিক থাকলে আগামী মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছাবে। আর জাহাজে থাকা ২৩ নাবিক নিয়েই ফিরছে চট্টগ্রামে। এর আগে গত ২১ এপ্রিল দুবাই আল হারামিয়া বন্দরে পৌছেছিল এমভি আবদুল্লাহ। সেখানে ৫৫ হাজার টন কয়লা খালাস শেষ হবে আগামীকাল রবিবার সন্ধ্যায়।
এমভি আবদুল্লাহ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার কথা জানিয়ে জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম’র প্রধান নির্বাহি মেহেরুল করিম বলেন, ‘জাহাজ থেকে সব কয়লা খালাস শেষ হয়েছে। আগামীকাল রবিবার রাতে আমরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো।’
জাহাজ থেকে দুই জন নাবিক নেমে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা আসছে কিনা জানতে চাইলে মেহেরুল করিম বলেন, জাহাজের সব নাবিক একসাথেই আসছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল ভোর ৩টায় সোমালিয়ান দস্যুদের কাছ থেকে মুক্তি পায় এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক। দস্যুদের ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুক্তিপণ হিসেবে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনটি ওয়াটার প্রুফ লাগেজে উড়োজাহাজের মাধ্যমে এগুলো পানিতে ফেলা হয়। ডলার গণনার পর নিশ্চিত হয়েই জাহাজ ছেড়ে যায় ৬৫ জন জলদস্যু। গত ১২ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগর থেকে এমভি আবদুল্লাহর সেকেন্ড অফিসার মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রথম অস্ত্র ঠেকিয়েছিল সোমালিয়ান জলদস্যুরা। জাহাজটি মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে দুবাই যাচ্ছিল। জাহাজটি ছিনতাইয়ের পর সোমালিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলের গ্যরাকাদে নোঙ্গর করেছিল। এর আগে একই মালিক গ্রুপের এমভি জাহান মনিকে ২০১০ সালে জিম্মি করেছিল একই গ্রুপের জলদস্যুরা। সেবারও মুক্তিপণ দিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।