গত মৌসুমে প্রথম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রিমিয়ারে উঠেছিল গাজী টায়ার ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। প্রথমবার লিস্ট 'এ' ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় উঠেও আবার নেমে যেতে হলো দলটিকে। এর আগে সিটি ক্লাবও অবনমিত হয়েছে প্রিমিয়ার লিগ থেকে।
রেলিগেশন লিগের শেষ ম্যাচে গতকাল গাজী টায়ার্সের দেওয়া ২০৭ রানের লক্ষ্য ১৫.৫ ওভার বাকি থাকতেই ৭ উইকেট হাতে রেখে ছুঁয়ে ফেলে রূপগঞ্জ টাইগার্স। রেলিগেশন লিগের দুই ম্যাচে জয় পেয়ে প্রিমিয়ার লিগে টিকে রইল একই মালিকানার আরেক দল রূপগঞ্জ টাইগার্স।
২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দলটি প্রিমিয়ার ডিভিশনই খেলতো মিরপুরের সিটি ক্লাব। সবশেষ ২০০৭ সালে দলটি নেমে যায় প্রথম বিভাগে। ১৩ বছর প্রথম বিভাগ খেলার পর ২০১৯-২০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জায়গা করে নিয়েছিল ডিপিএলে। চার বছর বাদে আবার অবনমিত হতে হলো ক্লাবটিকে।
ডিপিএলের আগামী মৌসুমে এই দুটি জায়গা নেবে এবার প্রথম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন-রানার আপ হওয়া অগ্রণী ব্যাংক ও গুলশান ক্রিকেট ক্লাব।
কাল বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমেছিল গাজী টায়ার্স। কিন্তু অধিনায়ক তাহজিবুল ইসলাম ছাড়া আর কেউ নিজের ইনিংসটি বড় করতে পারেননি। ৪৪ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন তাহজিবুল। রূপগঞ্জের ৫ বোলার ১টি করে উইকেট নেন, দুজন কাটা পড়েন রানআউটে। পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ২০৬ রান করে গাজী টায়ার্স।
প্রথম বিভাগে ১৬ ম্যাচের ১৪টিতেই জিতে আসা গাজী টায়ার্স প্রিমিয়ার লিগে এসে রান করাই যেন ভুলে গেছে। পুরো আসরে খেলা ১৩ ম্যাচের মাত্র চারটিতে দুইশ পেরোনো সংগ্রহ তুলেছে ক্লাবটি।
২০৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই চড়ে খেলতে থাকতে রূপগঞ্জ টাইগার্সের দুই ওপেনার। ১৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন জসীমউদ্দিন ও মাহফিজুল ইসলাম রবিন। জসীম খেলেন ৭৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস। রবিনের ব্যাটে আসে ৭৭ বলে ৭৪ রান। ১ রানের ব্যবধানে শামিম মিয়ার শিকার বনে দুজন ফিরে গেলেও বাকি পথ অনায়াসে পাড়ি দেন অন্যরা।