তাসকিন-সাউফউদ্দিনের দারুণ বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ে থামলো ১২৪ রানে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের প্রতিদান দিয়েছেন বোলাররা। দারুণ বোলিং করেছেন দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

দলীয় ৪১ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। অষ্টম উইকেটে ৭৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় অতিথিরা। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৪ রানে।

পাওয়ার প্লে এর ৬ ওভার শেষে ৩৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। দলীয় ৮ রানে ক্রেগ আরভিনকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন শেখ মেহেদি। দলীয় ৩৬ রানে পর টানা তিন বলে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। অভিষিক্ত গাম্বিকে ফেরান ১৮ মাস পর জাতীয় দলে ফেরা পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। পরের ওভারের প্রথম বলে রান আউটে কাটা পড়েন বেনেট (১৬)। দ্বিতীয় বলেই সিকান্দার রাজাকে ফেরান শেখ মেহেদি।

সপ্তম ওভার বল করতে এসে পরপর দুই বলে শন উইলিয়ামস (০) ও রায়ান বার্লকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। জিম্বাবুয়ের দলীয় ৪১ রানে সপ্তম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। লুক জংওয়েকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন সাইফউদ্দিন।  

তবে পরের গল্পটা ক্লিভ মাদান্দে ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার। অষ্টম উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তারা। তাতে একশো পেরোয় জিম্বাবুয়ে। মাদান্দাকে ইয়র্কার বলে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন দারুণ বোলিং করা তাসকিন। ৬ চারে ৩৯ বলে ৪৩ রান করেন মাদান্দে।

নিজের প্রথম তিন ওভারে মাত্র ৫ রান দেওয়া তাসকিনের বোলিং ফিগারটা হয় এমন ৪-০-১৪-৩।

জাতীয় দলে ফেরাটা দারুণ হলো সাউফউদ্দিনের। ইনিংসের শেষ ওভারে মাত্র ছয় রান দিয়ে মুজারাবানিকে ফেরান। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন সাউফউদ্দিন।