পৃথিবীর কোথায় কত কার্বন জানাবে নিসার স্যাটেলাইট

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো, আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা নাসার সহযোগিতায় নিসার স্যাটেলাইট তৈরি করেছে। নাসা ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার। এটি একটি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট, অর্থাৎ পৃথিবীকে বিশ্লেষণ করার জন্য এটিকে উৎক্ষেপণ করা হবে। পৃথিবীতে থাকা বিভিন্ন বন, জঙ্গল, জলাভূমির বাস্তুতন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি অনুসারে, বন এবং জলাভূমিগুলো প্রাকৃতিকভাবে গ্রিন হাউজ গ্যাস তৈরি করে। আর তা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমন পরিস্থিতিতে, ইসরো এবং নাসা পৃথিবীর সব বন এবং জলাভূমিকে নিয়ে পরীক্ষা করতে চায়।

কীভাবে কাজ করবে : মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, উৎক্ষেপণের পর এই স্যাটেলাইটটি প্রথম তার কক্ষপথে পৌঁছে যাবে। তারপর প্রতি ১২ দিনে পৃথিবীর ভূমি এবং বরফের পৃষ্ঠ স্ক্যান করবে। স্যাটেলাইট যে ডেটা সংগ্রহ করবে তা থেকে বিজ্ঞানীরা কার্বনের নির্গমন এবং শোষণ বুঝতে পারবেন। এভাবেই চলতে থাকবে স্যাটেলাইটের কাজ। ঘঅঝঅ ঔচখ-এর মতে, গাছের কাঠে এবং জলাভূমির মাটিতে প্রচুর পরিমাণে কার্বন জমা হয়। আর তাতে যদি কোনো রকম ব্যাঘাত ঘটে তাহলে বায়ুম-লে কার্বন ডাই-অক্সাইড বা মিথেনের মতো গ্যাস বেশি পরিমাণে ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিসার স্যাটেলাইটের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা কার্বনের অবস্থা বুঝতে পারবেন।