ইরানী প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টার বিধস্ত হওয়া পর সারা দুনিয়া তাকিয়ে আছে ঘটনার দিকে। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির কিছু হলে কী হবে ইরানের। অনেকেই ভাবছেন রাইসির মৃত্যু হলে ইরানের নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে কিনা।
অস্থিতিশীলতা হলে অবশ্যই অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিবিসির করসপনডেন্ট জিয়ার গোল তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেছেন, এই খবর ঘোষণার পরই মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দাম কমেছে।
ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আশা প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গে থাকা কর্মকর্তারা নিরাপদে জাতির কাছে ফিরে আসবেন। তিনি তাদের জন্য প্রার্থনার অনুরোধ করেছেন। ইরানের জনগণকে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশ পরিচালনায় কোনও সমস্যা হবে না।’
রাইসি ইরানের সবচেয়ে রক্ষণশীল প্রেসিডেন্টদের একজন এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির খুব কাছের। আজারবাইজান সীমান্তেকাছে আজারবাজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সাথে নিয়ে দুটি বাঁধ উদ্ধোধন করেন রাইসি। সেখান থেকে ফিরছিলেন। আলিয়েভ বলেন, ‘হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবর শুনে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।'