চার ছক্কার বিশ্বকাপ

দু’বছর যেতেই ফের চার-ছক্কার উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর বিশ্লেষণপূর্বক এ আয়োজনে আজ থাকছে সাউথ আফ্রিকা

সম্ভাবনা

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকার দলটি বেশ চমক জাগানিয়া। প্রথাগতভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার দলে বর্ণের ভিত্তিতে খেলোয়াড় সংখ্যায় যে সামঞ্জস্য করা হয় তা দেখা যায়নি এবারের দলে। ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হয়েও একটি বৈশ্বিক শিরোপা না থাকার অনলে অনবরত পুড়তে হয় প্রোটিয়াদের। বিশ্বময় তাদের তকমা চোকার্স। যারা সেমিফাইনাল পেরোতে পারে না কখনো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান নজরে আনলে দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থা আরও নাজুক। এ পর্যন্ত হওয়া আট আসরে মাত্র দুবার তারা খেলেছে সেমিফাইনালে, ২০০৯ ও ২০১৪ আসরে। অথচ বিশ্বকাপ মঞ্চে তাদের সাফল্যের হার ৬০ শতাংশ। দক্ষিণ আফ্রিকাকে এবার নেতৃত্ব দেবেন এইডেন মার্করাম। ক্লাসের পাশাপাশি পাওয়ার হিটিংয়ে সক্ষম মার্করাম অধিনায়ক হিসেবে দারুণ। ঘরোয়া এসএটোয়েন্টিতে দুবারে দুটি শিরোপা জিতেছেন তিনি। দলের দুই স্পিনার বিশ্বখ্যাত। ব্যাটসম্যানরা সব বারুদের গোলা। আছেন রাবাদা-নরখিয়ার মতো পেসার। দুই আনকোরা বার্টম্যান ও রিকেলটন আছেন সেরা ফর্মে। শুধু নকআউটে পা হড়কানোর অভ্যাসটাই যাবতীয় শঙ্কা প্রোটিয়া দলটির জন্য।

এক্স ফ্যাক্টর

হেইনরিখ ক্লাসেন : চার-ছক্কার ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি। ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় ক্লাসেনের ব্যাটিং দেখে তাকে মঙ্গোলীয় শাসক ‘হালাকু খান’ উপাধি দিয়েছিলেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার রমিজ রাজা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। এ বছর টি-টোয়েন্টিতে এরই মধ্যে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করিয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ বার। আইপিএলে হায়দরাবাদের জার্সিতে ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে মাতিয়ে রেখেছেন মাঠ। বিশ্বকাপ আসরে প্রোটিয়া মিডল অর্ডারে ক্লাসেন বিস্ফোরণের ওপর বেশ নির্ভর করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।