চার ছক্কার বিশ্বকাপ

দু’বছর যেতেই ফের চার-ছক্কার উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর বিশ্লেষণপূর্বক এ আয়োজনে আজ থাকছে ওমান ও নেপাল

ওমান

ওমান দেশটির নাম যদিও ক্রিকেট বিশ্বে সুপরিচিত নয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এর আগে খেলেছে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। প্রবাসীদের নিয়েই মূলত গঠিত ওমানের ক্রিকেট কাঠামো। এবার ওমানের বিশ্বকাপ দলে থাকা খেলোয়াড়রা প্রধানত দুটি দেশের পাকিস্তান ও ভারত। স্কোয়াডে ওমানে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড় আছেন চারজন। ভারতীয় আছেন ৩ জন আর পাকিস্তানি ৮ জন। এবারের আসরে ওমানকে নেতৃত্ব দিতে যাওয়া আকিব ইলিয়াস জন্মেছেন পাকিস্তানে। এশিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইপর্বে খেলা পাঁচ ম্যাচের সব কটিতে জিতে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ওমান। ফাইনালে সুপার ওভারে তারা হারায় স্বাগতিক নেপালকে। এত দিন ওমানের নেতৃত্বভার ছিল জিশান মাকসুদের কাঁধে। অধিনায়ক না থাকলেও ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং একমাত্র টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিয়ান জিশানের ব্যাটে ভরসা রেখেছে দেশটি। বোলিংয়ে ভরসা একশর বেশি উইকেট শিকারি বোলার বিলাল খান। এবার বেশ শক্ত গ্রুপে তারা। ‘বি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ড।

নেপাল

১০ বছর পর আবার টি-টোয়েন্টির বিশ্বমঞ্চে হাজির হিমালয়কন্যা নেপালের ক্রিকেট দলটি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে হওয়া আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিল দেশটি। সেবার বেশ তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন নেপালের ক্রিকেটাররা। গ্রুপপর্বে হংকংয়ের পাশাপাশি হারিয়ে দিয়েছিলেন আফগানিস্তানকে। এবার  ডেথ গ্রুপখ্যাত ‘ডি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গীরা হলেন বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডস। নেপাল দলে রয়েছেন পৃথিবীর

তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওভারে ছয় ছক্কা হাঁকানো দিপেন্দ্র সিং এইরি। এ ছাড়া অধিনায়ক রোহিত, কুশল ভুর্টেল, আসিফ শেখরা সামলাবেন ব্যাটসম্যানশিপের ভার। বোলারদের মধ্যে অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ সোমপাল কামি, করন কেসি আছেন। দেশটির তারকা ক্রিকেটার সুন্দিপ লামিচানে ধর্ষণ মামলা থেকে খালাস পেলেও এখনো যোগ দিতে পারেননি দলের সঙ্গে। সে ক্ষেত্রে বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার ললিত রাজবংশী নেতৃত্ব দেবেন নেপালের স্পিন আক্রমণের। আর নেপালের সবচেয়ে শক্তির জায়গা কোচ মন্টি দেসাই। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই পাল্টে গেছে দেশটির ক্রিকেট।