দু’বছর যেতেই ফের চার-ছক্কার উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর বিশ্লেষণপূর্বক এ আয়োজনে আজ থাকছে আয়ারল্যান্ড
সম্ভাবনা
এতদিন ধরে আয়ারল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন অ্যান্ড্রু বালবার্নি। আগের দুই আসরেও দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। তবে গত বছর থেকে আইরিশ সাদা দলের নেতা দলটির সেরা ব্যাটসম্যান পল স্টার্লিং। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার নেতৃত্বেই খেলতে নামবে আইরিশরা। এবারের আসর নিয়ে টানা অষ্টম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়ারল্যান্ডের। তবে সাফল্য ধরা দিয়েছিল শুধু গতবার। ২০২২ আসরে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছিলেন আইরিশরা। এবার সেই ধারা অব্যাহত রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জের। কেননা তাদের গ্রুপে রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত ও পাকিস্তান। তবে ফরম্যাটটি যেহেতু টি-টোয়েন্টি তাই আগে থেকে কোনো কিছু বলাটা কঠিন। নিজের দিনে জ¦লে উঠতে হবে তাই আইরিশ ক্রিকেটারদের। আর এ ক্ষেত্রে তাদের শক্তির জায়গা- অনেক দিন ধরেই এই দলটা একসঙ্গে ক্রিকেট খেলছে। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া আইরিশ দলটির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও বেশ আশা জাগানিয়া। স্টারলিংয়ের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বেশ। দলে আছেন পুরনো অধিনায়ক বালবার্নিও। অভিজ্ঞ এ মুখগুলোর সঙ্গে তরুণ কার্টার ও লিটল হতে পারেন আইরিশদের ভরসার জায়গা। শঙ্কার জায়গা হলো আইরিশদের স্পিন আক্রমণ। সেখানে মুখও যেমন কম, অভিজ্ঞতাতেও আছে ঘাটতি। তবে অলরাউন্ডারদের কাঁধে দায়িত্ব থাকবে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার।
এক্স ফ্যাক্টর
কার্টিস ক্যামফার : ২০২১ সালে আয়ারল্যান্ডের জার্সিতে অভিষেক হয়। ২৫ বছরের অলরাউন্ডার পঞ্চাশটির বেশি টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন দেশের হয়ে। ব্যাটে ৮২৬ রান ও বল হাতে ২৯ শিকার আছে তার ঝুলিতে। অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে হয়েছেন দলের অন্যতম অনুষঙ্গ। মিডিয়াম পেসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট এনে দেওয়া আর শেষ দিকে দলের রান বাড়ানো কিংবা লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য স্টার্লিংয়ের ভরসা হতে পারেন ক্যামফার।