‘লোভী’ বেলিংহ্যাম যে কারণে ডর্টমুন্ড ছেড়ে এসেছিলেন রিয়ালে

বার্মিংহাম সিটি থেকে বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডে পা রেখেছিলেন জুড বেলিংহ্যাম। তবে তার স্বপ্নে ছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তাই তিন বছর সেখানে থেকেও সেটা না পেয়ে নাম লেখান রিয়াল মাদ্রিদে। যা ফুটবলারদের স্বপ্নের ক্লাব। সেখানে গিয়ে প্রথম বছরেই পরম আরাধনার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তিনি। আর প্রতিপক্ষ সেই ডর্টমুন্ড, যে ক্লাবের জার্সি এক বছর আগেও তিনি গায়ে জড়িয়েছিলেন।

শনিবার ইংল্যান্ডের জাতীয় স্টেডিয়াম ওয়েম্বলিতে হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। যেখানে ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটের জন্য ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে লড়বে রিয়াল। সেই ম্যাচের আগে আজ কথা বলেছেন বেলিংহ্যাম। জানালেন, এই ট্রফিটার প্রতি লোভ তার। সে জন্যই রিয়ালে নাকি আসা।

গত বুধবার লা লিগায় মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ২০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। তারপরই বেলিংহ্যাম বলেন, ‘এটা এত বড় একটা ম্যাচ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আমি প্রথমবার খেলব। ইংল্যান্ডে আমার পুরনো দলের বিপক্ষে মাঠে ফেরা। এটা পাগলামি, আমি এর চেয়ে ভালো স্বপ্ন আর ভাবতে পারতাম না।’

বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডে থাকাকালে একবারও ফাইনাল খেলা হয়নি। বেলিংহ্যাম চলে আসতেই ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালে উঠে গেছে জার্মান ক্লাবটি। থাকলে এবার সেই দলের হয়ে মাঠ মাতাতে পারতেন তিনি। কেন চলে এসেছিলেন? জানতে চাইলে এই ইংলিশ ফুটবলার বলেন, ‘আমি এখানে জয়ের প্রত্যাশায় এসেছিলাম। আমি এখানে এসেছি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে, সেরার ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখতে। বলতে পারেন, এই ট্রফিটা জয়ের জন্য আমি কিছুটা লোভী।’

আর যদি রিয়াল মাদ্রিদ জিততে না পারে, তাহলে বেলিংহ্যামের ভবিষ্যৎ কী? জানতে চাইলে ইংলিশ ফুটবলার বলেন, ‘আমি শুধু লোভী হওয়ার কথা বলেছি। আপাতত আমি ফাইনালের দিকে মনোনিবেশ করছি।’

গোড়ালির চোটের কারণে মৌসুমের শেষের দিকে তার ফিটনেস নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ ছিল, তবে তিনি বলেছেন যে মাদ্রিদ শিরোপা দাবি করার পরে বিশ্রামের পরে তিনি ‘১০০ শতাংশের খুব কাছাকাছি’ অনুভব করছেন। রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন মাদ্রিদ অবশ্য ফেভারিট।