পরিদর্শনে গিয়ে ফারুক খান

থার্ড টার্মিনালে বিমান একা নয় থাকছে জাপানও

দীর্ঘদিন ধরেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ কারা পেতে যাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। শুরু থেকেই বিমান এ কাজ পেতে ইক্যুইপমেন্ট ও জনবল সংগ্রহ করে আসছে। তবে এখনো নিশ্চিত নয় কাজটি শেষ পর্যন্ত কারা পাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান। তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের ফারুক খান বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে জাপানের একটি কোম্পানি যৌথভাবে তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ করবে। ৯৭ ভাগ টার্মিনালের কাজ শেষ হওয়ায় অক্টোবরেই উদ্বোধন করা হবে বলে আশা করছি।

বিমানমন্ত্রী বলেন, জাপানের সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারে গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ হবে। জাপান জানিয়েছে, তাদের একটি কোম্পানি এই কাজটি করতে চায়। তবে কে করবে সেই নামটি এখনো আমাদের জানায়নি। আমি আশা করব, জয়েন্ট ভেঞ্চার হলে লাগেজ হ্যান্ডেলিং ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

অক্টোবরেই প্রস্তুত হবে থার্ড টার্মিনাল : ফারুক খান বলেন, উড়োজাহাজ থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে লাগেজ হাতে চলে আসে না। এটি পৃথিবীর কোথাও হয় না। আমাদেরও সমস্যা ছিল, তা উন্নত করেছি। প্রথমটা লাগেজ পেতে ১৫ মিনিট লাগছে। সর্বশেষটা ৪০ মিনিটে পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য বেশ কিছু নতুন ইকুইপমেন্ট আনা হয়েছে। আরও আনা হচ্ছে। প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার জায়গার ওপর এই টার্মিনালে সাত হাজার পাইল বসানো হয়েছে। টার্মিনালটি মহাসড়ক ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যা যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগ ছাড়া টার্মিনালে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এতে করে সরকারের সাশ্রয় হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা।

তিনতলা বিশিষ্ট তৃতীয় টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিটা এবং  কোরিয়ার স্যামসাং এই তিনটি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় টার্মিনাল ভবন নির্মাণকাজ করছে।