আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছিল উগান্ডার। তবে সেই ম্যাচে খেলেননি ফ্রাঙ্ক এনসুবুগা। আজ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে একাদশে ছিলেন ৪৩ বছর বয়সী এই স্পিনার। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই এনসুবুগা করলেন দারুণ সব কীর্তি।
আজ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে এনসুবুগার বোলিং ফিগার ছিল এমন ৪-২-৪-২। অর্থাৎ ৪ ওভার বোল করে দুটি মেডেনসহ ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে মিতব্যয়ী স্পেল এটি (৪ ওভারের স্পেল)। এর আগে সবচেয়ে কিপটে স্পেলের রেকর্ড ছিল আনরিখ নর্কিয়ার।
এই বিশ্বকাপেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে ৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন নর্কিয়া।
এনসুবুগা ৪ ওভারের মধ্যে ২০ বলই করেছেন ডট। এর আগে শ্রীলঙ্কার অজন্তা মেন্ডিস ২০১২ বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ২০ ডট বল দিয়েছিলেন।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভার রেকর্ড আগে থেকেই ছিল এনসুবুগার দখলে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এনসুবুগা মেডেন দিয়েছেন ১৭টি। এই তালিকার দুইয়ে কেনিয়ার শেম ওবাদো এনগোচের মেডেন ১২টি। ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কম ইকোনোমিও এনসুবুগার। ৫৫ ম্যাচে ৫৭ উইকেট নেওয়া উগান্ডার এই বাঁ-হাতি স্পিনার ওভার প্রতি রান দিয়েছেন ৪.৭১ করে।
এনসুবুগার অভিষেক আইসিসি ট্রফিতে ১৯৯৭ সালে ১৬ বছর বয়সে। সেই আসরে অবশ্য তিনি খেলেছিলেন পূর্ব মধ্য আফ্রিকার হয়ে। তখন মালাওয়ি, তানজানিয়া, উগান্ডা, জাম্বিয়ার খেলোয়াড়েরা একসঙ্গে এই দলটির হয়ে খেলত।
বিশ্বকাপের আগেই অবশ্য গড়েছিলেন এনসুবুগা। ৪৩ বছর ২৮২ দিন বয়সী এই স্পিনারই ছিলেন এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী ক্রিকেটার।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এনসুবুগা ছিলেন বেশি বয়সী ক্রিকেটারদের তালিকায় দ্বিতীয়। প্রথম হলেন হংকংয়ের রায়ান ক্যাম্পবেল (৪৪ বছর ৩৪ দিন)।