লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকালে উপজেলার শহীদ নগর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা হলের পাশের কক্ষ উপস্থিত ছিলেন চরবসু এসইএসডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুরর রহমান মানিক ও শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসমাইল।
অভিযোগ রয়েছে, পছন্দের লোকদের নিয়োগ চূড়ান্ত করতে পরীক্ষা হলের পাশের কক্ষে অন্য বিদ্যালয়ের দুজন প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। নিয়োগ পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষক পদে চারজন অংশগ্রহণ করলেও পছন্দের প্রার্থী মো. কামাল হোসেনকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। অন্য তিনজন ছিল সাজানো প্রার্থী। পরীক্ষা শেষে সব প্রার্থীকে নিয়ে স্কুল সভাপতির বাড়িতে দুপুরের খাবারে অংশগ্রহণ করেন হলের পাশে থাকা ওই দুই প্রধান শিক্ষক।
স্কুল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, ম্যানেজিং কমিটি প্রধান শিক্ষক, নৈশ প্রহরী, নিরাপত্তা কর্মী, ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দিচ্ছেন। তবে বিজ্ঞপ্তি কোন পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে তিনি অবগন নন।
তিনি আরও জানান, নিয়োগ সংকান্ত বিষয়ে সকল প্রক্রিয়া ও কার্যক্রম পরিচালনা করেন চরবসু এসইএসডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজান রহমান মানিক।
চরবসু এসইএসডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান মানিক জানান, তিনি নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন না। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক কিছু বুঝেন না। নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে তাকে ডাকা হয়েছে।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তাহমিনা আক্তারের ছেলে মো. ফিরোজ জানান, কোনো অনিয়ম ছাড়াই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী দেশ রূপান্তরকে জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি। তবে অন্য স্কুলের দুই জন প্রধান শিক্ষক কেন উপস্থিত ছিলেন এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে দ্রুত ফোন রেখে দেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুদ্দিন মো. রেজা দেশ রূপান্তরকে জানান, তিনি উপস্থিত থেকে পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। যারা পরীক্ষায় ভালো করেছে তাদের নিয়োগ দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।