‘আজিজ-বেনজীরের দুর্নীতির ঢাকতেই কোটাপ্রথা চালু করেছে সরকার’

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান বলেছেন, সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে নতুন করে কোটাপ্রথা চালু করেছে। এতে ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হবে আর চাপা পড়বে বেনজীর-আজিজের পাহাড়সহ দুর্নীতির ইস্যু। একইসাথে সরকার তাদের দেওয়া অবৈধ বাজেট নিয়ে জনগণ যাতে সোচ্চার হতে না পারে।

আজ শুক্রবার বিকেল ৩টায় পুরানো পল্টন কালভার্ট রোডে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভারতের এক নম্বর পণ্য আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা। ভারতীয় পণ্য আওয়ামী লীগকে সবার আগে বয়কট করতে হবে। বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে আজ ভারতের যে আধিপত্য এবং আগ্রাসন। এখান থেকে দেশকে রক্ষা করতে না পারলে আমাদের সামনে অন্ধকার। দেশকে রক্ষার জন্য সকল দলকে এক হয়ে মাঠে নমতে হবে। বিএনপির একার পক্ষে সম্ভব নয়, সবাইকে নিয়েই দেশকে রক্ষা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, দেশ আজ ভয়াবহ সংকটে। পুরো বাংলাদেশ আজ কাঁটাতারে বন্দি। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হলে, দেশ থেকে ভারতকে সবার আগে হটাতে হবে। বাংলাদেশের আসল শত্রু এখন ভারত। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই দরকার। তার জন্য আমাদের বৃহত্তর একটি জাতীয় ঐক্যের দিকে হাঁটতে হবে।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসান বলেন, আমরা ভারত হটাও, বাংলাদেশ বাঁচাও আন্দোলনে নেমেছে, এই আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরেঘরে পৌঁছে দেব। অনেক চাপ আসছে, কিন্তু কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্ম আতাউল্লাহর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা সৈয়দ এহসানুল হুদা, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ পারভেজ, গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এস ফাহিম, গণনেতা মোহাম্মদ তারেক রহমান, জিয়াউর রহমান,শেখ খায়রুল কবুর, শাহাবুদ্দিন শুভ, আব্দুল্লাহ, ফায়সাল, যুবনেতা সাকিব হোসাইন, ছাত্রনেতা মোল্যা রহমতইল্লাহ প্রমুখ।।