যবিপ্রবির ৬ ছাত্রলীগ কর্মীর হল-ক্যাম্পাসে প্রবেশে বিধিনিষেধ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) লিফট অপারেটর পদে চাকরি প্রার্থী অপহরণ ও সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর আবাসিক হল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যবিপ্রবি প্রশাসন।

অপহরণ কান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করলেও রিজেন্ট বোর্ডের (সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম)  ৯৯তম সভায় অধিকতর তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার (৫ জুন) যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অভিযুক্তরা সবাই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

অফিস আদেশে বলা হয়, অধিকতর তদন্ত চলাকালীন আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না, যাদের বর্তমানে যবিপ্রবির ছাত্রত্ব আছে কেবলমাত্র তারাই ক্যাম্পাসে এসে চলমান ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং যে সকল শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত/ছাত্রত্ব নাই তারা কোনও অবস্থাতেই ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ আদেশ অমান্য করে কোনও শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করলে অথবা যাদের ছাত্রত্ব রয়েছে তারা ক্লাস ও পরীক্ষা ব্যতীত ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করলে তাকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মো. বেলাল হোসেন, পিইএসএস বিভাগের নৃপেন্দ্র নাথ রায়, ফার্মেসি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী জিএম রাইসুল হক রানা, পিইএসএস বিভাগের মুশফিকুর রহমান, ফাহিম ফয়সাল লাবীব ও মো. আবু বক্কার। এদের মধ্যে বেলাল ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও বাকিরা কর্মী।

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, শৃঙ্খলা কমিটি আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করলেও রিজেন্ট বোর্ডের সভায় অধিকতর তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে তাদের কেউ আরোপিত শর্ত ভঙ্গ করলে এটি আর অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন হবে না, সরাসরি পরবর্তী রিজেন্ট বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।