চেয়ারে বসেই কেন কৃষকদের দিকে নজর মোদির?

এবারের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে ৮, হরিয়ানায় ৫, রাজস্থানে ১১, পঞ্জাবে ২, মহারাষ্ট্রে ১২—এই পাঁচ রাজ্যে মোট ৩৮টি জেতা আসন হারিয়েছে বিজেপি। মূলত কৃষকদের দাবি না মানা, কৃষক আন্দোলন দমনের চেষ্টা, মহারাষ্ট্রের পেঁয়াজ চাষি, ডেইরি মালিক,পশুপালকদের সমস্যা এর অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। 

লোকসভা ভোটের ফলাফলের পর একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে কৃষক ভোট কমেছে ৩ শতাংশ। পাশাপাশি, সামগ্রিক বিচারে কৃষক ভোট ১৪ শতাংশ বেড়েছে বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র। 

মোদির দ্বিতীয় দফায় তিন বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ দেখেছিল গোটা দেশ। ন্যায্য সহায়ক মূল্যসহ বেশ কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে ওই আন্দোলন থামাতে তিন আইন বাতিল করে কেন্দ্র। রাজনৈতিক শিবিরের মতে, এর প্রভাবই পড়েছে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে।

এসব কারণে সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৮ জুন উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে একটি কৃষক সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে তেমনটাই। যদি মোদি বারাণসী যান, তা হলে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তৃতীয়বার শপথ নেওয়ার পর এটিই হতে পারে তার প্রথম বারাণসী সফর।

এছাড়া কৃষকদের তুষ্ট করতে এ বার একের পর এক পদক্ষেপ করতে পারে বিজেপি। অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে কৃষকদেরই। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রথম যে ফাইলটিতে সই করেছেন মোদি, সেটি পিএম কিষান নিধি যোজনার। এর মধ্যেই আবার বারাণসীতে মোদির কৃষক সম্মেলনের খবর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে দেশের রাজনৈতিক মহল।