২০১০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসেছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। সেবার ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম ছিল না ভেন্যুর তালিকায়। ও্ই হিসাবে এবারেরই প্রথম চার-ছক্কার বিশ্বকাপের ম্যাচ হতে চলেছে এই মাঠটিতে। স্টেডিয়ামের ‘প্রথম’ ম্যাচটিই আবার হতে পারে ২০২১ আসরের রানার আপ নিউজিল্যান্ডের জন্য ‘শেষ’ ম্যাচ। কেননা কাল ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচ হেরে গেলে এবারের আসর থেকে কার্যত বিদায় ঘন্টা বেজে যাবে কেন উইলিয়ামসনদের।
আফগানিস্তারের কাছে নির্মম হার দিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করে কিউইরা। দেড়শর বেশি রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৭৫ রানেই অলআউট হতে হয় তাদের। ৮৪ রানের ওই হারই এ ম্যাচটিকে কিউইদের জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচে পরিণত করেছে। কিউই পেসার লকি ফার্গুসন বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচটির মতো করে বিশ্বকাপ শুরু করতে চাইনি আমরা। এবার ভিন্ন পিচ, ভিন্ন মাঠ, তাই আমাদের নতুন করে শুরু করতে হবে।’ উইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ ম্যাচে ৮ শিকার ধরেছেন লকি। ক্যারিয়ার সেরা ৫/২১ নৈপুণ্য এদের বিপক্ষে।
কিউইদের যখন ঘায়েল অবস্থা তখন উইন্ডিজ রয়েছে ফুরফুরে। পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে নড়বড়ে শুরুর পর উগান্ডাকে ৩৯ রানে অলআউট করে ১৩৪ রানের জয় পেয়েছে। আসরে বড় দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েলের কণ্ঠে ঝরেছে আত্মবিশ্বাস, ‘গত ১২-১৪ মাস ধরে ভালো ক্রিকেট খেলছি আমরা। এই ধারাটাকে সামনে নিয়ে যাওয়াই আমাদের দায়িত্ব। বিশ্বকাপের আগে সবাই কঠিন পরিশ্রম করেছে। আশা করি এখন তার ফল মাঠে দেখাতে পারবো। আমার মনে হয় সকল ফোকাস নিজেদের দিকে রাখলে আমরা ঠিকমতো এগোতে পারবো।’
এ দুই দলের ১৯ বারের মাত্র ৬ বার জয় পেয়েছে উইন্ডিজ। পণ্ড হওয়া ২ ম্যাচ ছাড়া বাকি ১১ বার জিতেছে নিউজিল্যান্ড। এ ম্যাচে নিকোলাস পুরানের জন্য অপেক্ষা করছে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার কীর্তি নিজের করে নেওয়ার। মাত্র ৩ রান করলেই ১৮৯৯ রান করা ক্রিস গেইলকে ছাপিয়ে যাবেন পুরান।