অন্তর্গত বাস্তুহারা

প্রতিনিয়ত এই পৃথিবী ছেয়ে যাচ্ছে, অজস্র

উজান যাত্রীর ভিড়ে

এদিকে প্রতিদিন গানপ্রিয় প্রাণগুলো, খেয়াল

ভুলে বসে আছে মীড়ে

এই জীবন পারাবার থেকে হৃদয়রেখার ছায়ামসি

থেকে উড়ে আসে মুহূর্ত

ফুরিয়ে যায়, সম্ভোগের সূর্যাস্তের পর রঙিন হর্ষ

এসে পুড়ে যায় বিমূর্ত

রোদের ঘ্রাণ, দাগসহ শুষে নিয়ে উড়ে উড়ে

চলে যায় দূরগামী কেউ

অদৃশ্য ভাঙা-জাহাজের নাবিক সামুদ্রিক দিগ

নির্ণয় মুছে দেয় কেউ

কত উপসর্গ নিয়ে আলো-হাওয়ার বিবর্তন খেলা, 

অস্তাচলে বৃত্তের ব্যসার্ধ

ছড়িয়ে পড়ে, স্পন্দন মচ্ছবের মতো অতলান্তিক

ব্যক্তির ছাপচিত্রে আরাধ্য

নিবিড়-নীরব পাহাড়ের চিরে, দেহের প্রাচীরে

নামে অপেক্ষার নদী

যেন কুমারী-স্তন বেয়ে ভারবাহী উর্বরতার পলি

পড়ে সমভূমি অবধি

ক্রমশ মায়া-পাহাড়ের প্রদোষ ডিঙিয়ে উঠে আসে

জলপাই রঙের ছাউনি

জন্মান্তর, সবুজ বিষাদের এক বাস্তুহারা কলোনি

জীর্ণ-শীর্ণ অন্তমহলে চাউনি...