লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মাংস কাটা ছুরি দিয়ে স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মুয়াজ্জিন মো. শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ রেখে পালিয়ে যান স্বামী। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলা পৌরসভার সবুজ গ্রামে ভাড়া বাসায় স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. শিহাব উদ্দিন স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্বে ছিলেন। শাহানাজ বেগমের বাড়ি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি ফসিউল আলমের কন্যা ছিলেন। মুয়াজ্জিন মো. শিহাব উদ্দিন চর আলেকজান্ডার ইউনিয়নের চর সেকান্তরের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, মুয়াজ্জিন মো. শিহাব তার ভাইয়ের জন্য স্ত্রী শাহানাজ বেগমকে রুটি বানাতে বলেন। বোনের বিয়েতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন স্ত্রী শাহানাজ বেগম। এ সময়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে রুটি বানানো নিয়ে কথা কাটা-কাটি ও ঝগড়া হয়। ঘটনার একপর্যায়ে অভিযুক্ত মাংস কাটার ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মুয়াজ্জিন চাকরি করার কারণে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ঘটনার সময় অভিযুক্ত ছাগলের মাংস কাটছিলেন। হঠাৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে রুটি বানানো নিয়ে কথা কাটা-কাটি হয়। এরই মধ্যে দু'জনের ঝগড়া চরমে পর্যায় গেলে অভিযুক্ত মাংস কাটার ছুরি দিয়ে স্ত্রীর মাথায় এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। কিছুক্ষণ পরে স্ত্রী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান। স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ রেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
রামগতি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.মোসলেহ উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে জানান, স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জেরে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি ছুরির আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।