বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যাবার পথে পাবনা সদর উপজেলায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ভাই-বোন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আহত ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেনবেড়া—পৌর এলাকার শালকিপাড়ার রাজকুমার হালদারের ছেলে প্রদীপ কুমার এবং নাটোরের দিনেশের স্ত্রী শম্পা রানী। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হতাহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রদীপ কুমারের জন্য পাত্রী দেখতে পরিবারের সদস্যরা মিলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নিজ গ্রাম থেকে পাবনা জেলা শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে পাবনা সদরের ধোপাদহ এলাকায় একটি দ্রুতগামী ট্রাক অটোরিকশাটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে মহাসড়কেই অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রদীপ কুমারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্যদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা সম্পা রানীকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রদীপের মামা পরিমল হালদার জানান, তার ভাগনে প্রদীপ পড়ালেখা শেষ করে কিছুদিন হলো একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিতে ঢুকেছেন। তার বিয়ের কথা চলছিল। বিয়ের জন্য কনে দেখতেই তারা সবাই জেলা শহরে যাচ্ছিলেন। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি এসেছেন।
পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, অটোরিকশাটি বেড়া থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল। পথে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ৭ জন সিএনজিযাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।