ভারতের ১১ বছরের শিরোপা খরা ঘোচানোর মধ্য দিয়ে পর্দা নামল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। যুক্তরাষ্ট্রকে আগেই বিদায় জানানোর পর আপাতত তাই বিদায় বলতে হচ্ছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জকে। কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপের সঙ্গে আবার দেখা হবে ২০২৬ সালে। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের যৌথ আয়োজনে উপমহাদেশে ফিরবে বিশ্বকাপ। সেটাও হবে এবারের মতোই ২০ দলের অংশগ্রহণে।
আয়োজক ও বছর চূড়ান্ত হয়ে গেলেও এখনও তারিখ নির্ধারিত হয়নি। তাছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আবার একেক বছর একেক সময়ে হয়ে থাকে। সাধারণত দুই বছর পরপর হয় একেকটি আসর। মাঝে শুধু ২০০৯ সালের পর ২০১০ এবং ২০১৬ সালের পর ৫ বছর বিরতি দিয়ে ২০২১ সালে বসেছিল আসর। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় সপ্তম আসর বসার কথা ছিল। তবে করোনার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি।
তাই বাধ্য হয়ে পরের বছর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও দু্বাইয়ে বসে আসরটি। পরের বছর অস্ট্রেলিয়াতে বসে। গত আসরটি অক্টোবর-নভেম্বরে হলেও এবারের আসরটি শুরু হয় জুন মাসে। ভারতে হয়েছিল মার্চ-এপ্রিলে। প্রথম আসরটি আবার হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে।
তাই আগামী আসরটি কোন মাসে অনুষ্ঠিত হবে সেটা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। তবে ২০ দল থেকে ইতোমধ্যে ১২ দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। বাকি ৮ দল আসবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে। শ্রীলঙ্কা ও ভারত আয়োজক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছে টুর্নামেন্টে খেলার। সদ্য শেষ হওয়া নবম আসরে সুপার এইট খেলা বাংলাদেশসহ বাকি ৬ দলেরও চূড়ান্ত হয়ে গেছে টুর্নামেন্টে খেলা। বাকি সেই সাত দল হলো আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের।
এছাড়া আজ ৩০ জুন পর্যন্ত র্যাংকিংয়ের হেরফের না হলে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডও নিশ্চিত করবে টুর্নামেন্টে নিজেদের জায়গা। বাকি থাকে ৫ দল। সেই পাঁচটি দল আসবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে। ইউরোপ থেকে আসে দুটি দল। কোনো অঘটন না হলে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডেরই সেখানে আসার কথা। এশিয়া অঞ্চল থেকে যাবে আরও দুটি দল। এ বছর বাছাইপর্ব পেরিয়ে গিয়েছিল নেপাল ও ওমান। আফ্রিকা অঞ্চল থেকেও যাবে দুটি দল। ইস্ট এশিয়া এবং আমেরিকা অঞ্চল থেকে আসবে আরও একটি করে দল।
ইস্ট এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে এবার এসেছিল পাপুয়া নিউগিনি। আমেরিকা অঞ্চল থেকে কানাডা এবং আফ্রিকা থেকে নামিবিয়া ও উগান্ডা। তবে ক্রিকেটবিশ্ব থেকে ক্রমশই যেন হারিয়ে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও জায়গা করে নিতে পারেনি।