হৃদরোগ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিতে বাংলাদেশে ডা. সাও-লিয়াং চ্যান

হৃদরোগ চিকিৎসকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন বিশ্বের শীর্ষ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একজন চীনের অধ্যাপক ডা. সাও-লিয়াং চ্যান। আজ রবিবার এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হৃদরোগ চিকিৎসার আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ক দিনব্যাপী এক কর্মশালায় অংশ নেন। কর্মশালায় অধ্যাপক ডা. চ্যান তার গবেষণালদ্ধ বিভিন্ন প্রযুক্তির ওপর বক্তব্য রাখেন এবং চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই খ্যাতিমান চিকিৎসক চীনের নানজিং ফাস্ট হাসপাতালের কার্ডিওলজি ও ক্যাথল্যাবের পরিচালক। তিনি হৃদরোগ চিকিৎসার বিভিন্ন আধুনিক কৌশলের পথপ্রদর্শক। বিশেষ করে হৃদপিন্ডের রক্তনালীর জটিল অসুখের চিকিৎসায় ‘ডি কে ক্রাশ’ পদ্ধতির উদ্ভাবক।

কর্মশালার সেমিনারে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসপাতালের চিফ কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. ফজিলা-তুন-নেসা মালিক। জটিল এনজিওপ্লাস্টির কেস উপস্থাপন করেন দেশের তরুণ বিশেষজ্ঞগণ। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া চিকিৎসকরা জানান, এ ধরনের কর্মশালা বাংলাদেশের হৃদরোগ চিকিৎসা ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে এবং এতে রোগীরা উপকৃত হবেন।

হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ একটি অলাভজনক, সেবামূলক, সরকারি সাহায্যপুষ্ট প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃত জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগে. (অব.) ডা. আব্দুল মালিক এই ফাউন্ডেশন গঠন করেন। গত ৪৬ বছর যাবত বাংলাদেশে হৃদরোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও চিকিৎসায় এই প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

হাসপাতাল থেকে বলা হয়, চীনের এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গতকাল শনিবার দেশে এসেছেন। আগামীকাল আরও কিছু কর্মশালায় অংশ নেবেন তিনি।