ভগ্নিপতির সম্পদ তদন্তে বেরিয়ে আসে ফয়সালের থলের বিড়াল

ভগ্নিপতি পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ আবদুল্লাহর সম্পদের খোঁজ করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের দুর্নীতির তথ্য। জানা গেছে, গত আট বছরে ফয়সালের স্বজনদের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ৫০ কোটি টাকা জমা হয়। এ স্বজনদের মধ্যে তাঁর মা, ভাই, বোন ও ভগ্নিপতি রয়েছেন। আরও আছেন স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও শ্যালক।

জানা গেছে, ফয়সালের ভগ্নিপতি সৈয়দ আবদুল্লাহ পুলিশের পরিদর্শক। তিনি এখন ফেনী জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত। এর আগে তিনি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন। 

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ভগ্নিপতি আবদুল্লাহর সম্পদের খোঁজ করতে গিয়েই ফয়সালের বিপুল সম্পদ থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। আবদুল্লাহ যখন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন, তখন তাঁর অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর দুদকের পিরোজপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তিনজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে অনুসন্ধান কমিটি (গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে) গঠন করা হয়।

দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, সেই কমিটির অনুসন্ধানে আবদুল্লাহর বিপুল সম্পদ থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর গত বছরের মে মাসে আবদুল্লাহর স্ত্রী ফারহানা আক্তারের (ফয়সালের বোন) নামে ঢাকায় দুটি ফ্ল্যাট ও একটি কমার্শিয়াল স্পেস (বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য), শাশুড়ি কারিমা খাতুনের (ফয়সালের মা) নামে গুলশানে একটি ফ্ল্যাট থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় দুদক। এর বাইরে ফয়সালের বোনের ব্যাংক হিসাবে কয়েক কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।