গাজীপুরে শ্রীপুরে এক রাতের ব্যবধানে দুই কৃষকের ১০টি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের চাউবন ও হায়াতখাচালা গ্রামের এ দুর্ধর্ষ চুরির দুটি ঘটনা ঘটেছে। টের পেয়ে রাতেই লোকজন চোরের দলকে ধাওয়া করলে চোরের দল উল্টো লোকজনকে মারধর করে গরু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে হায়াতখার চালা গ্রামের আবদুল খালেকের বাড়ি থেকে গাভী ও ষাঁড়সহ ৬টি গরু নিয়ে যায় চোরের দল। এ দিকে আগের রাতে পাশের চাউবন গ্রামের জহির উদ্দীনের বাড়িতে হানা দিয়ে গাভী ও বাছুরসহ ৪টি গরু নিয়ে যায় চোরেরা।
এ দিকে টের পেয়ে পিকআপ ভর্তি গরুর গাড়ির পিছে ধাওয়া করলে খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পালিয়ে যায় চোর চক্রটি। পরে তাকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসীরা জানান, সোমবার মধ্যরাতে তালা কেটে ৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। পরে পাশের বাড়ির এক ব্যক্তি টের পেলে তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পিকআপের পিছু নেন। এ সময় তাকে পিটিয়ে পালিয়ে যায় চক্রটি। তারা বলেন, চোরের দল গোয়ালের কোনো গরুই রেখে যায়না। ছোট-বড় সব গরু নিয়ে যায় তারা।
আহত খোরশেদ আলম বলেন, পিকআপটির পিছু নিলে চোরের দল গাড়ি থামিয়ে তাকে মারধর করে। তিনি বলেন, পিকআপে থাকা সবাই দেখতে খুব স্মার্ট ছিল। সবাইকে শিক্ষিতও মনে হয়েছে। তাদের হাতে দেশিও অস্ত্র ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিঠুন বৈদ্য বলেন এমন কোনো অভিযোগ এখনো থানায় কেউ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শ্রীপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আতিকুর রহমান বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় গরু চুরির বিষয়গুলো আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে উত্থাপন করি। কৃষকদের চরম ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সামনে তুলে আনি। কিন্তু বাস্তবে চুরি রোধ করা যাচ্ছেনা। আশা করি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও দায়িত্বশীল হবে।