কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ পুলিশ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। প্রধানফটকে অবস্থানরত বিভিন্ন মেসের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ১টা ২০মিনিটে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় পুলিশ সদস্যরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারসেল গ্যাস নিক্ষেপ করেন পুলিশ। নিরাপত্তার জন্য শিক্ষার্থীরা প্রধানফটকের বিভিন্ন মেসে অবস্থান নেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুলিশের হামলার পরে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নগরীর মদীনা মার্কেট, মাউন্ট এডোরা ও প্রধানফটকে তাণ্ডব চালায়। তারা শাবি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশের সদস্যদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান।
এদিকে দ্বিমুখী হামলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ফেসবুকে এক পোস্টে একজন শিক্ষার্থী লিখেন, ‘সিলেটের আবাসিক এলাকাতে সাস্টের ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশের সাথে ছাত্রলীগের পোলাপান যুক্ত হয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা করছে কেউ সিলেটের আসেপাশে থাকলে দয়া করে এগিয়ে আসেন এলাকাবাসি ছাত্রদের বাঁচান।’
এদিকে, পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় এখন পর্যন্ত ৫০এর অধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল সহ নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।