ঝিনাইদহে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, আহত ২০

ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে পুলিশের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত উভয়পক্ষের ২০ জন আহত। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ প্রায় ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল থেকে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুরো ঝিনাইদহ শহরজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ সময় ভাঙচুর করা হয় বেশ কিছু স্থাপনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জড়ো হয় আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে ঝিনাইদহ পায়রা চত্বরের দিকে আসে তারা। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের বাধা দিলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

আন্দোলনকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের উপর। এতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ছোড়ে। 

সংঘর্ষে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আবিদুর রহমান ও ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। 

ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।