প্যারিস অলিম্পিকে রেকর্ড সংখ্যক এলজিবিটি অ্যাথলেট, অধিকাংশই নারী

অনেক দিক দিয়েই প্যারিস অলিম্পিক আগের আসরগুলোর থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। এমনকী এলজিবিটি কমিউনিটির দিক দিয়েও। এবারের আসরে রেকর্ড ১৯১ জন এলজিবিটি অ্যাথলেট অংশ নিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। এদের মাঝে আছেন পুরুষ এবং নারী সমকামী, উভয়কামী, ট্রান্সজেন্ডারসহ বিভিন্ন যৌন পরিচয়ে পরিচিত অ্যাথলেটরা।

গত টোকিও অলিম্পিকে ১৮৬ জন এলজিবিটি অ্যাথলেট অংশ নিয়েছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। ভবিষ্যতের আসরগুলোতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘আউটস্পোর্টস’ এর প্রতিষ্ঠানতা জিম বুজিনস্কি বলেছেন, ‘দিনে দিনে সংখ্যাটা বেড়েই যাচ্ছে। তারা (এলজিবিটি সদস্যরা) বুঝতে পেরেছে যে, তাদেরকে প্রকাশ্যে আসতেই হবে এবং এর চেয়ে বড় মঞ্চ আর হতেই পারে না।’

পরিসংখ্যান বলছে, ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিকে মাত্র পাঁচজন এলজিবিটি অ্যাথলেট চিহ্ণিত করা হয়েছিল। এরপর থেকে সংখ্যাটা হু হু করে বাড়তে থাকে। প্যারিসকে এমনিতেই বলা হয় ‘ভালোবাসার শহর’। এখানে এমন কিছু দেশের এলজিবিটি অ্যাথলেটরা এসেছেন, যেসব দেশে প্রকাশ্যে সমকামিতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এমনকী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অলিম্পিকের প্রাইড হাউসের কর্মকর্তা জেরেমি গোপিলে বলেছেন, ‘তারা প্যারিসে এসে সত্যিকারের মানুষ হওয়ার স্বাদ পাবে।’

প্যারিস অলিম্পিক উপলক্ষে কিছু ডেটিং অ্যাপ তাদের লোকেশন ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করেছে, যাতে অলিম্পিক ভিলেজে বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটদের সঙ্গী খুঁজতে সমস্যা না হয়। জেরেমি গোপিলে আরও বলেছেন, ‘তাদেরকে (এলজিবিটি) আপনার রক্ষা করতে হবে। চারদিকে অনেক খারাপ মানুষ আছে। পাশাপাশি অনেক সুন্দরী ক্রীড়াবিদও আছে যারা কারও সঙ্গে দেখা করতে চায়। এটা কঠিন।’