নাদালের সঙ্গে আরও ম্যাচ খেলতে চান জকোভিচ

প্যারিস অলিম্পিকে সোমবার টেনিসের একক লড়াইয়ে ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী নোভাক জকোভিচের কাছে ৬-১, ৬-৪ গেমে হেরেছেন ২২ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী রাফায়েল নাদাল।

খেলা চলাকালীন খুব কম সময়ই মনে হয়েছে নাদাল ম্যাচে ফিরতে পারেন। তবে দ্বিতীয় সেটে ৪-০ থেকে একটা পর্যায়ে ৪-৪ করেন তিনি। তখন রাফা রাফা হর্ষধ্বনি হলেও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি।

স্বাভাবিকভাবেই উঠছে তাঁর অবসরের প্রশ্নও। নাদাল বলেন, 'এই টুর্নামেন্ট (অলিম্পিক) শেষে কেমন বোধ করছি সেটার উপর নির্ভর করে সিধান্ত নেব।'

নাদাল কিছুটা ক্ষিপ্ত স্বরে বলেন, 'রোজ রোজ একই প্রশ্ন? প্রতিদিন আপনারা চাইছেন আমি অবসর নিই, প্রতিদিন। আমি চেষ্টা করছি প্রতিদিন নিজের সেরাটা দেওয়ার। কিন্তু প্রতিদিন এটা আমার শেষ ম্যাচ ভেবে খেলা সম্ভব নয়। আমি এখানে এসেছি নিজের সেরাটা দিতে।’

নাদাল আরও বলেন, 'গত দুবছরে আমি অনেক চোট পেয়েছি। যদি আমার নিজের মধ্যে জেতার তাগিদ না খুঁজে পাই, তাহলে খেলা ছেড়ে দেব। তখন ঠিকই জানাব।'

একক থেকে বিদায় নিলেও আলকারাজের জুটি বেঁধে ডাবলস খেলছেন। সেখানে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করেছেন।

২০০৬ সালে এই রোলাঁ গারোঁতে প্রথম দেখা হয়েছিল নাদাল ও জকোভিচের। ১৮ বছর পরেও সেই দ্বৈরথ অব্যাহত। 

দ্বিতীয় রাউন্ডে নাদালকে হারানোর পর জকোভিচ বলেন, 'এখন একটু নির্ভার মনে হচ্ছে। ২০০৬ সালে আমরা ভাবিনি যে একদিন অলিম্পিকে খেলবো একে অপরের বিপক্ষে।'

জকোভিচের বয়স ৩৭, নাদালের ৩৮। অনেকেই ভাবছেন অলিম্পিক তো বটেই এটি হয়তো এই দুইজনের প্রতিপক্ষ হিসেবে শেষ ম্যাচ হয়ে থাকবে। তবে জকোর ভাবনা ভিন্ন।

জকোভিচ ও নাদালের এটি ছিল একে অপরের বিপক্ষে ৬০তম ম্যাচ। জকোভিচ বলেন, 'টেনিস ইতিহাসে আর কোন খেলোয়াড়ের হয়তো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৬০ ম্যাচ নেই। আমার মতে এটি এই দৈরথকে বিশেষ করেছে। আমি আশা করছি আমরা আরও একবার বা কয়েকবার মুখোমুখি হবো। ভিন্ন সারফেসে, বিশ্বের ভিন্ন জায়গায়। কারণ এতে এই খেলার লাভই হবে। আমি জানি না তাঁর শরীর কেমন তবে আশা করছি আমরা আরও খেলবো।'