বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় গতকাল সারাদেশে অন্তত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
জেলায় গতকাল রবিবার দিনভর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে জেলার এনায়েতপুর থানায় হামলা চালায় বিক্ষুব্ধরা। থানার ভেতরেই পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৩ জন পুলিশ সদস্যকে।
জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে এসে এনায়েতপুর থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে তারা থানায় আগুন দেয় এবং সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে হত্যা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারী থানার দক্ষিণে জমায়েত হয়। সেখানে ছাত্রদের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন ছিলেন।
এছাড়া নিহত অন্যেরা হলেন, সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুমপুর মহল্লার মাজেদ আলীর ছেলে রঞ্জু মিয়া (৪০), পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গয়লা মহল্লার আসু মুন্সীর ছেলে আবদুল লতিফ (২৬), একই মহল্লার গঞ্জের আলীর ছেলে মো. সুমন (২২), রায়গঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সরকার, ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ছরওয়ার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান ওরফে ইলিয়াস এবং ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনায়েন, আলম নামের এক ব্যক্তি ও সাংবাদিক প্রদীপ কুমার।