প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর প্রকাশের পরপরই রাজবাড়ীতে বিক্ষুব্ধ জনতা বিজয় মিছিল বের করে। সময় বাড়ার সাথে সাথেই জনতার স্রোত নেমে আসে।
এরপরই শুরু হয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রথমে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাংচুর করে। পরে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর একে একে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীর বাড়ি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীর বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া কাজী ইরাদত আলীর জুট মিলে অগ্নিসংযোগ, তেলের পাম্প ভাংচুর করে বিক্ষুব্ধ জনগণ।
ডিসি অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর করা হয়েছে। রেহায় পায়নি সাংবাদিকদের অফিসও। রাজবাড়ী প্রেসক্লাব, কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির কার্যালয়, ৭১ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধির কার্যালয় ভাংচুর করা হয়েছে।
এছাড়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের অফিস, বাড়ি, গোয়ালন্দ পৌর মেয়রের বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে। রাজবাড়ীতে সাধারণ জনতাকে রাস্তায় বিদ্যুতের খুটিতে লাগানো সিসি ক্যামেরাও নিয়ে যেতে দেখা যায়।