শাহীনসের কাছে হার এইচপির

পাকিস্তান শাহীনসের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ এইচপি। ডারউইনে ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতার মূল্য দিতে হয়েছে। বাংলাদেশিরা গুটিয়ে যায় ৭৮ রানেই। আর সেই রান ৩৩ ওভার হাতে রেখেই তাড়া করে জয় পেয়েছে শাহীনস।

মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২৪.৩ ওভারেই অলআউট হয় আফিফ হোসেন ধ্রুবর দল। সর্বোচ্চ ১৯ রানের ইনিংস খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। ৭৯ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান শাহীনস ১৭ ওভারেই পেরিয়ে যায়। ৫ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশিদের শুরু।

তানজিদ হাসান তামিম ৪ রানে ফেরার পর আরেক ওপেনার জিসান আলম আউট হন শূন্য রানেই। অধিনায়ক আফিফ ৫ রানেই বিদায় নেন। আকবর আলী একই পথ ধরেন ১ রানে। ওয়ান ডাউনে নামা ইমন কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকলেও ৩২ রানে এই বাঁহাতির উইকেটও হারায় এইচপি। ৩০ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ রান করে তিনি আউট হন।

পরের তিন ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। মাহফুজুর রহমান রাব্বী ও শামিম পাটোয়ারী আউট হন যথাক্রমে ১২ ও ১৩ রানে। আবু হায়দার রনি বাংলাদেশিদের সীমিত সংগ্রহে ১০ রানের অবদান রাখেন। ৬৭ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে এইচপি।  লেজের তিন ব্যাটার এক অঙ্কে আউট হয়ে গেলে ৭৮ রানের পুঁজি নিয়েই নামতে হয় তাদের।

পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে ভালো সূচনা করে বাংলাদেশিরা। আরেক ওপেনার আব্দুল ফাসিহ আউট হয়ে যান ১২ রানে। কিন্তু পরের দুই ব্যাটারই অঘটনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। উসমান খান ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় গড়া ৪৫ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তৈয়ব তাহির মাঠ ছাড়েন ৩৬ বলে ১৭ রান করে। পাকিস্তানের দুটি উইকেটই তুলে দেন রিপন মণ্ডল।

পাকিস্তান শাহীনসের সব বোলারই উইকেটের দেখা পান। তবে ২২ রানে ৩ উইকেট পাওয়া মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়রই হয়েছেন ম্যাচসেরা। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন খুররাম শেহজাদ, জাহানদাদ খান ও মুবাশশির খান। আরেকটি উইকেট ঢুকেছে আরাফাত মিনহাসের পকেটে।

তিন দলের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশিদের ঝুলিতে অবশ্য জয় রয়েছে। এনটি স্ট্রাইককে ১১২ রানে হারিয়েছেন ধ্রুব-রিপনরা।