প্রতিপক্ষের সেরা ব্যাটসম্যানের উইকেটই তো লক্ষ্য হওয়া উচিত। আসন্ন টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের পেসার শরিফুল ইসলামের লক্ষ্য তাই পাকিস্তানের বাবর আজমের উইকেট নেওয়া। লাহোর থেকে পাঠানো অডিও বার্তার মাধ্যমে এই বাঁহাতি পেসার জানিয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজে নিজের লক্ষ্যের কথা।
কানাডায় গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলে বাংলাদেশে এসে ফের পাকিস্তানে গেছেন শরিফুল। অনুশীলন সুবিধা পর্যাপ্ত হলেও আবহাওয়াটা তাই তার কাছে মনে হচ্ছে একটু অস্বস্তির, ‘আলহামদুলিল্লাহ, পিসিবি আমাদের জন্য ভালো প্রস্তুতির ব্যবস্থা করেছে। আমরা এখানকার আবহাওয়া খুব উপভোগ করছি। কিছুটা গরম আছে, কিন্তু আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। ইসলামাবাদেও গরম ছিল।’ পাকিস্তানের উইকেট নিয়ে শরিফুলের ভাবনায় ঘাস, ‘প্রথমত, আমি এখনো রাওয়ালপিন্ডির উইকেট দেখিনি। শুনেছি তারা কিছু ঘাস রাখছে উইকেটে। আমরা আশা করছি ঘাস থাকবে। প্রত্যেক পেস বোলারই কিছুটা ঘাস ও সিম মুভমেন্ট থাকা পছন্দ করে। এটা পেসারদের জন্য ভালো।’ অবশ্য শরিফুলের ভাবনায় যেটা ভালো, বাংলাদেশের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের জন্য সেটাই হতে পারে দুঃস্বপ্ন। জাকির হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলামরা ঘাস থাকা উইকেটে নাসিম শাহ, শাহিন শাহদের বল কীভাবে খেলবেন, সেটাও বড় বিষয়; বিশেষ করে পাকিস্তানের কোচ যেখানে বলেই দিয়েছেন চার পেসার খেলানোর কথা!
অবশ্য ব্যাটিং নিয়ে ভাবনাটা শরিফুলের কাজও নয়। তার কাজ বল করা, প্রতিপক্ষের উইকেট তুলে নেওয়া। সেই জায়গায় প্রতিপক্ষের সেরা ব্যাটসম্যানের স্টাম্প ভাঙাই তার লক্ষ্য, ‘মনে হয় বাবর আজম সবচেয়ে কঠিন ব্যাটার। আমাদের তাকে তাড়াতাড়ি ফেরাতে হবে। আমার স্বপ্নের উইকেট বাবর আজম। আমি যদি তার উইকেট পাই, খুব খুশি হব। আমি তার সঙ্গে শেষ এলপিএল খেলেছি। উনি খুব ভালো মানুষও।’ এই ভালো মানুষের উইকেটটাই পেতে চান শরিফুল, সুযোগ আছে চারবার নেওয়ার। তবে কতবার তাকে ব্যাটিংয়ে নামানো যাবে, সেটা কিন্তু নির্ভর করবে শরিফুলের ব্যাটার সতীর্থদের ওপর।
বিশ^কাপের পর শরিফুল দেশে লাল বলের অনুশীলনে ছিলেন না। খেলেছেন এলপিএল ও গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে। এতে করে খুব একটা সমস্যা দেখছেন না এই পেসার, প্রস্তুতি হয়ে যাবে টেস্ট শুরুর আগেই, ‘আমার মনে হয় লাল বলের জন্য লম্বা সময় পর প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। আরও কিছুদিন সময় হাতে আছে। আমার আরও কিছু প্রস্তুতি নিতে হবে ফিটনেস ও বোলিং ওয়ার্কলোড নিয়ে। মনে হয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।’