বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। বরং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কর্তৃক শাস্তিও পেয়েছেন বাফুফের একাধিক কর্মকর্তা। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবার বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আর নারী কমিটির প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণের বিরুদ্ধে সরাসরি চুরির অভিযোগ আনলেন সাবেক ও বর্তমান নারী ফুটবলাররা।
আজ শনিবার সালাহউদ্দিন-কিরণের পদত্যাগের এক দফা এক দাবিতে ‘সাবেক/বর্তমান বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল খেলোয়াড়-কর্মকর্তাবৃন্দ’–এর ব্যানারে বাফুফে ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বর্তমান ও সাবেক খেলোয়াড়েরা। সেখানেই সাবেক অধিনায়ক ডালিয়া আক্তার, ‘তারা বাফুফেতে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছে। পদ আঁকড়ে ধরে আছে। অবিলম্বে তাদের বিদায় নিতে হবে। এবার সময় এসেছে, যোগ্যদের সুযোগ দিতে হবে।’
কিরণের অপকর্মের কথা তুলে ধরে ডালিয়া আরও বলেন, ‘জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক থাকার পরও আমাকে নারী ফুটবলের কোথাও রাখা হয়নি। তারা সব কুক্ষিগত করে রেখেছে। আপনি (মাহফুজা আক্তার) চুরি ছাড়া আর কিছু করেননি। আপনি ভালোবাসেন আপনার চেয়ার। অলিম্পিক বাছাই খেলতে পাঠানো হয়নি আমাদের মেয়েদের। কত টাকা মেরে খেয়েছেন? এবার পদ থেকে সরে যান।’
বাংলাদেশের নারী ফুটবলের কিংবদন্তি সংগঠক কামরুন নাহার ডানা বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশন যেন সালাহউদ্দিন-কিরণের ফেডারেশন। উনি (সালাহউদ্দিন) নিজের স্বার্থ ছাড়া কোনো কাজ করেননি। বাফুফেতে রাজনৈতিকীকরণ হয়েছে। দুর্নীতি হয়েছে। বাফুফের নির্বাচনে যারা কাউন্সিলর হয়েছে, তারা আজ পালিয়ে বেড়াচ্ছে। যারা পালিয়ে বেড়ায়, তারা যেন ক্রীড়াঙ্গনে না আসে। আমরা ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থে পরিবর্তন চাই। আমরা আশা করব, বাফুফেকে ঢেলে সাজানো হবে।’