রাজশাহী মহানগর এবং জেলায় সব ধরনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পাহারা থেকে সরে এসে কার্যক্রম সংক্ষিপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা। তবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান ১৭ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক পরিষদের সদস্যরা।
তাদের সিদ্ধান্তগুলো হলো, রাজশাহী মহানগর এবং জেলায় সব ধরনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় এখন থেকে শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ তাদের কর্তব্য পালন করবে। সমন্বয়ক পরিচয়ে কোনো ব্যাক্তির আর্থিক লেনদেন, সুবিধা প্রদান কিংবা ক্ষমতা চর্চার সব ধরনের অপকর্ম প্রতিহত করা। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান থাকবে শিক্ষার্থীদের।
সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মো. মেশকাত চৌধুরী বলেন, ‘শহরে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য এবং তাঁদের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অনেকেই সমন্বয়ক, সহ-সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থী পরিচয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যেই মূলত তাদের এসব সিদ্ধান্ত।’
সমন্বয়ক মেহেদী সজীব বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের দ্রুত নিয়োগ দিয়ে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাবেন তারা।’