প্রথম দিন
রাওয়ালপিন্ডিতে বৃষ্টিবাধায় চার ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয় প্রথম দিনের খেলা। ৪১ ওভারের দিনে শরিফুল-লিটন জুটি শুরুতেই ম্যাচের কর্র্তৃত্ব এনে দেন। শরিফুলের বলে শানের পর বাবরের চোখ ধাঁধানো ক্যাচ লুফে নেন লিটন। হাসান মাহমুদও ফেরান দুই পাকিস্তানি ব্যাটারকে।
দ্বিতীয় দিন
৪ উইকেটে ১৫৮ রানে শুরু করে দিনটি নিজেদের করে নেওয়ার পথে পাকিস্তানের সৌদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তুলে নেন সেঞ্চুরি। শাকিলের ব্যাটে আসে ১৪১ রান আর রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১৭১ রানে। ৬ উইকেটে ৪৪৮ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।
তৃতীয় দিন
আগের দিনের ধারাবাহিকতায় দারুণ শুরু এনে দেন সাদমান ইসলাম। ৯৩ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরি অধরা থেকে গেলেও ভিত্তি পায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে মুমিনুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ফিফটি বাংলাদেশকে জিইয়ে রাখে ম্যাচে। ৫ উইকেটে ৩১৬ রানে দিনের ইতি টানে বাংলাদেশ।
চতুর্থ দিন
আগের দিন সাদমান না পারলেও এদিন সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। ওখানে থামেননি, প্রায় দুশো করে ফেলেছিলেন। তার ১৯১ রানের ইনিংসের সঙ্গে মিরাজের ৭৭ রান ১১৭ রানের লিড এনে দেয় বাংলাদেশকে। লিটনের সঙ্গে ১১৪ ও মিরাজের সঙ্গে ১৯৬ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন মুশফিক।
পঞ্চম দিন
শেষ দিনের উইকেটের পুরো ফায়দা লুফে নেন সাকিব ও মিরাজ। দুজনের স্পিন বিষে খেই হারায় পাকিস্তান। সাকিবের ৩ ও মিরাজের ৪ শিকারে মাত্র ১৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। ৩০ রানের সহজ লক্ষ্য ছুঁতে ৩৯ বল খরচা করেন সাদমান-জাকির। আসে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়।