জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন শানশান। এতে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া টাইফুনের আঘাতে অন্তত ৩৯ জন আহত হয়েছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকালে ঝড়টি ঘণ্টায় ২৫২ কিলোমিটার বেগে দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপের কাগোশিমা শহরে আঘাত হানে। খবর বিবিসি।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ঘূর্ণিঝড়টিকে সবচেয়ে ভয়ংকর ঝড় উল্লেখ করে, ভূমিধস, বন্যা এবং বড় আকারের ক্ষয়ক্ষতির বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে।
এক কোটি ২৫ লাখ মানুষের বাসস্থান কিউশুর কিছু এলাকায় একদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। এছাড়া দ্বীপের ইউটিলিটি অপারেটর জানিয়েছে, প্রায় আড়াই লাখেরও বেশি বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্বীপটিতে ৬০০ মিমি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
টাইফুনের কারণে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে যাওয়া ও আসার শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কিছু উচ্চগতির ট্রেন পরিষেবাও স্থগিত করা হয়েছে।
কর্মীদের নিরাপত্তা এবং যন্ত্রাংশের ক্ষতি ঠেকাতে টয়োটা এবং নিসানের মতো বড় গাড়ি নির্মাতারা বৃহস্পতিবার তাদের প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেয়।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাস, টাইফুনটি সপ্তাহের শেষে রাজধানী টোকিওসহ জাপানের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হবে।
গত মাসে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে টাইফুনগুলি উপকূলরেখার কাছাকাছি তৈরি হচ্ছে, আরও দ্রুত তীব্র হচ্ছে এবং ভূমিতে তাদের অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।