পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে প্রতিবন্ধী-অসহায়-বন্যা দুর্গত-নদী ভাঙন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের তালিকায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতা, ইউপি সদস্য ও সাংবাদিকদের নাম থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
জানা যায়, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীর ১২৩ জনের তালিকায় রাঙ্গাবালী উপজেলার রয়েছেন ১৩ জন। এ তালিকায় থাকা বেশিরভাগই ধনাঢ্য। এদের মধ্যে রয়েছেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক ওয়াহিদ খান রাজ, রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক দিলিপ কুমার দাস, রাঙ্গাবালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য শহিদুল ইসলাম।
এছাড়াও রয়েছেন উপজেলা সাবেক শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশন মৃধার স্ত্রী আখিমনি, ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সহসভাপতি এনামুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মাহমুদ হাসান টিটু এবং রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৌরভ তালুকদার।
আওয়ামী লীগের লোকজন ছাড়াও এ তালিকায় সাংবাদিকের নামও রয়েছে। যাদের মধ্যে আছেন সময় টেলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি সিকদার জাবির হোসেন, নিউজ ২৪ টেলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি সিকদার জোবায়ের হোসেন এবং মাইটিভির রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রতিনিধি এনামুল ইসলাম।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সেবা) অসীম চন্দ্র বণিক স্বাক্ষরিত চলতি বছরের একটি প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, ১২৩ ব্যক্তির অনুকূলে তাদের প্রত্যেককে ৫-১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার পরিমাণ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, এ তালিকা মন্ত্রণালয় থেকে হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
এ বিষয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহিব্বুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করলেও যোগাযোগ করা যায়নি।