পানিতে ডুবে কুড়িগ্রামে শিক্ষার্থী ও গোপালগঞ্জে যুবকের মৃত্যু

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বল তুলতে গিয়ে দুধকুমার নদে ডুবে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অপর এক শিক্ষার্থীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোনাহাট সেতুর নিচে দুধকুমার নদে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, এদিন সকাল ১১টার দিকে ভূরুঙ্গামারী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক হামিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম (১৩) ও ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ আল করিমের ছেলে জাহিন (১৩) দুধকুমার নদের পাড়ে ফুটবল খেলতে যায়। খেলার এক পর্যায় তাদের বল নদের পানিতে গিয়ে পড়ে। সেই বল তুলতে গিয়ে দুজনেই নদের স্রোতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা অনেক চেষ্টার পর জাহিনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করলেও সিয়ামকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ডুবুরি দল প্রায় ৪ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সিয়ামকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ওই শিক্ষার্থীর লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।’  

এদিকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে নিখোঁজের ৪ ঘণ্টা পরে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার সময় উপজেলার বাটিকামারী কুমার নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে যায় ওই যুবক। পরে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস ৪ ঘণ্টা খোঁজার পরে মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মারা যাওয়া জীবন (২২) মাদারীপুরের রিপনের ছেলে। তিনি বাটিকামরীতে তার বোনের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। 

নিহতের বোন-জামাই ছাব্বির মোল্যা জানান, দুপুরে কুমার নদীতে গোসলে নামে জীবন। সাঁতার কম জানায় পানিতে ডুবে গেলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ৪ ঘণ্টার চেষ্টার পরে লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। 

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’