তহবিল সংগ্রহেও ট্রাম্পকে ছাড়িয়ে কমলা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যবধান বেড়েই চলেছে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের। জনপ্রিয়তায় ট্রাম্পকে পেছনে ফেলার পর এবার নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহেও এগিয়ে গিয়েছেন কমলা। গত শুক্রবার কমলা হ্যারিসের প্রচার দল জানায়, আগস্ট মাসে ডেমোক্রেটিক পার্টি ৩৬ কোটি ১০ লাখ ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে। ফলে সেপ্টেম্বরের শুরুতে কমলার প্রচার তহবিলে ৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার জমা হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর প্রচার দলের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে কমলার ১৩ লাখ নতুন দাতার তিন-চতুর্থাংশই ২০২০ সালের নির্বাচনে কোনো আর্থিক অনুদান দেননি। দাতাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই নারী। এমনকি এসব দাতার মধ্যে নিবন্ধিত রিপাবলিকানও রয়েছেন বলে জানানো হয়।

এর আগে গত বুধবার ট্রাম্পের প্রচার দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আগস্টে রিপাবলিকান পার্টি ১৩ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। মাসের শেষে তাদের তহবিলে রয়েছে ২৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। নির্বাচনী বিধি মেনে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, এই নির্বাচনে দুই প্রার্থী ১০০ কোটি ডলার ব্যয় করবেন। নির্বাচনের বিজ্ঞাপনী কাজে এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে এসব অর্থ ব্যয় করবেন কমলা ও ট্রাম্প। তবে ঘোষিত এই তহবিলের মধ্যে দুই প্রার্থীর সমর্থক অন্য গোষ্ঠীগুলোর সংগ্রহ করা অর্থ যোগ করা হয়নি।

এদিকে আগামী মঙ্গলবার বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো সরাসরি টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেবেন। এবিসির আয়োজনে এই বিতর্ক নির্বাচনে দুই প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জনমত জরিপের গড় ফল অনুযায়ী দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে হাড্ডাহাড্ডির লড়াই হবে। পেনসিলভানিয়া, মিশিগান ও জর্জিয়ার মতো দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটেই ফলাফল নির্ধারিত হবে।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর দলীয় মনোনয়ন পান কমলা হ্যারিস। এরপর থেকেই নির্বাচনের চিত্র বদলাতে থাকে। শুরুতে রিপাবলিকান পার্টির পক্ষে জনমত বেশি থাকলেও, কমলার প্রার্থিতা ডেমোক্র্যাট ও দাতাদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফেরায়। যার বড় প্রভাব পড়ে নির্বাচনপূর্ব জনমত জরিপে।