শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

বিগত দুই অর্থবছরে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের প্রায় পৌঁনে তিন কোটি টাকা গরমিলের অভিযোগ এনেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এসব দুর্নীতি উদঘাটন ও এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।

 সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়ে, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে আবাসন খাতে ৯০ লাখ, নিরাপত্তা খাতে ৮০ লাখ. বিদ্যুৎ খাতে ২৬ লাখ , বইপত্র ক্রয় বাবত ৫ লাখ, জ্বালানী খাতে ৯ লাখ, ক্রীড়া  ৯ লাখ ৮৮হাজার, ল্যাবের জন্য রাসায়নিক সামগ্রী ক্রয়ে ৫লাখ, যানবাহন মেরামত বাবত ৩ লাখ, কম্পিউটার মোরামতে ৬লাখ আসাবাবপত্র মেরামত ৫লাখ, নতুন আসববারপত্র ক্রয় ১০ লাখ, নতুন কম্পিউটার ক্রয় ১০ লাখ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার ৪ লাখ টাকার গড়মিল রয়েছে।

 তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন পরীক্ষায় তাদের নিকট থেকে অধিক পরিমান ফি আদায় করা হয়। এছাড়া কলেজের অধ্যক্ষ সুনির্মল রায় কলেজের  আরটিপিসিআর ল্যাব নষ্ট করে সেটিকে বাসা হিসেবে ব্যবহার করছেন। অনেক শিক্ষকই নিয়মিত ক্লাস নেন না। কর্মক্ষেত্রে না এসে হাজিরা খাতায় অফিস সহায়কের সহযোগিতা নেয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কান্তি প্রিয় নামে একজন শিক্ষক সকাল সাড়ে ৭টায় ক্লাস করার থাকলেও তিনি সকাল ১০টার আগে আসেন না। এছাড়া অধ্যক্ষ সুনির্মল ও শিক্ষক কান্তি প্রিয়ের  বিরুদ্ধে হিজাবধারী শিক্ষার্থীদের নাজেহাল করারও অভিযোগ আনেন তারা।

 উল্লেখ্য যে, স্থায়ী ক্যাম্পাস, আবাসন, শিক্ষক নিয়োগসহ ৮টি দাবি নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কলেজের ছাত্ররা ক্লাস বর্জন করছেন। আন্দোলনের মুখে  কলেজ অধ্যক্ষ সুনির্মল রায় ছুটি নিয়ে চলে যাওযায় সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।  ২০১৮ সালে ১০ জানুয়ারি  এই কলেজটির ক্লাস শুরু হয়  হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতালের দুটি ফ্লোরে । বর্তমানে এ কলেজে ৬টি ব্যাচে সাড়ে তিন‘শ শিক্ষার্থী রয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন,আবু হাসান,  নিহাল  তাহমিন, কাওছার আহমেদ, সানজিদা আক্তার তামান্না আকিব মাহমুদ।  

শোয়েব চৌধুরী ৯ সেপ্টেম্বর।