উত্তর কোরিয়াতে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য একটি পারমাণবিক বাহিনী নির্মাণ নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। সোমবার উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এক বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম কেসিএনএ-এর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বক্তৃতায় কিম বলেন, ‘পরমাণু সক্ষমতা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অধিকার নিশ্চিতের জন্য যে কোনো সময় সঠিকভাবে তা ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিতে দেশকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার অনুসারীদের দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন হুমকির মুখোমুখি হওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি প্রয়োজন বলেও জানান উত্তরের নেতা। কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া একটি গুরুতর হুমকির সম্মুখীন। এই অঞ্চলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পারমাণবিক-ভিত্তিক সামরিক জোটের কারণে এই হুমকি তৈরি হয়েছে।
এদিকে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সরবরাহ ব্যবস্থা এবং একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নিন্দা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানি। এছাড়া মঙ্গলবার জাতিসংঘ কমান্ড (ইউএনসি)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক করবে দক্ষিণ কোরিয়া।
গত মাসে ইউএনসিতে সর্বশেষ দেশ হিসেবে যেগ দিয়েছে জার্মানি। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কড়া সুরক্ষিত সীমান্ত টহলে সহায়তা করে এই ইউএনসি। এমনকি যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হলে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করার অঙ্গীকার দিয়ে রেখেছে এই জোটটি।
তবে উত্তর কোরিয়া ইউএনসিকে একটি "অবৈধ যুদ্ধ সংস্থা" বলে সমালোচনা করেছে এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘের সীমান্ত পর্যবেক্ষণ বাহিনীতে জার্মানির প্রবেশকে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে।