‘ব্রাজিল ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে’

২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ৭ ম্যাচ খেলে তিন জয় ও এক ড্র ব্রাজিলের। চার ম্যাচ পর সর্বশেষ ম্যাচেই জয়ের মুখ দেখেছে। সাম্বার সেই ছন্দ নেই ব্রাজিলের ফুটবলে। তবু ব্রাজিলকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী দলটির কোচ দরিভাল। তাই তো প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘লিখে রাখেন, ব্রাজিল ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে।’

তা সেই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনের লড়াইটা আগে করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামছে তারা। দরিভাল দায়িত্ব নেওয়ার পর ৯ ম্যাচে ব্রাজিল হারেনি (কোপার কোয়ার্টারে হার ছিল টাইব্রেকারে, যা অফিশিয়ালি ড্র)। সেই ম্যাচগুলোতে আক্রমণভাগের ত্রয়ী ছিল ৫ রকম! প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বদল আসছে আরও একবার। এবার আক্রমণভাগে থাকবেন রিয়ালের তিন ত্রয়ী ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগা ও এনদ্রিক। বেঞ্চে থাকবেন আগের ম্যাচ খেলা লুইস হেনরিক।

৯ ম্যাচের ৫টিতেই আক্রমণে ত্রয়ী হিসেবে খেলেছেন রাফিনহা, ভিনিসিয়ুস ও রদ্রিগো। কখনো ভিনিসিয়ুস তো কখনো রাফিনহার নিষেধাজ্ঞায় বদলেছে সেই আক্রমণভাগ। দরিভালের সময়ে যৌথ সর্বোচ্চ ৩ গোল রদ্রিগো আর এনদ্রিকের। এই দুজনের সঙ্গে ভিনিসিয়ুসকে রেখে প্রথমবার একাদশ সাজাতে চলেছেন দরিভাল। আগের ৯ ম্যাচের ৮টিতেই প্রথম একাদশে ছিলেন রদ্রিগো। ভিনি একাদশে ছিলেন সাত ম্যাচ আর এনদ্রিক একটিতে। রিয়ালে এখনো একাদশে একসঙ্গে না খেললেও জাতীয় দলের জার্সিতে তারা কেমন করেন সেটি দেখার।

পরিসংখ্যান বলছে, বাছাইপর্বে বর্তমান অবস্থা ব্রাজিলের সবচেয়ে বাজে অধ্যায়। কিন্তু সন্তুষ্ট কোচ দরিভাল। ‘দল হিসেবে আমরা নিজেদের সেরা খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। বল রিকোভারিতে আমরা ভালো করছি। প্রতিপক্ষ দুই থেকে তিন পাস দেওয়ার পরই আমরা বল ফিরে পাচ্ছি।’

কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই দল গঠন, কোচ নিয়োগ সবকিছু নিয়ে অস্থিরতা ছিল ব্রাজিল দলে। বিষয়টি মানছেন অধিনায়ক দানিলো। প্যারাগুয়ে ম্যাচে নিজেরা একধাপ পিছিয়ে আছেন বলেও মনে করেন তিনি। দানিলো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা একধাপ পিছিয়ে আছি। আমাদের অনেক অস্থিরতা ছিল। কোচ, কৌশল, পরিকল্পনা, খেলোয়াড়Ñ সবকিছুতে। এটা পরিষ্কার যে বিশ্বকাপের পর আমরা সময় হারিয়েছি, মানে আমরা একধাপ পিছিয়ে। তবে মার্চে দরিভাল আসার পর আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।’