দেশের ‘সেরা’ ক্রিকেট আসর এনসিএল বদলে যাচ্ছে

বদলে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট প্রতিযোগিতা জাতীয় ক্রিকেট লিগের কাঠামো। ফিরছে পুরানো চেহারায়। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে এনসিএলে অংশ নেয় ৮টি দল, ২০১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত সবগুলো দলই খেলত একে অন্যের সঙ্গে। এরপর দুটো ভাগে ভাগ করা হয়, টায়ার ১ এবং ২’ রাখা হয়েছিল, ছিল অবনমন এবং উন্নয়ন।

এবার আর দুই ভাগ নয়, ৭ দলের সিংগেল লিগ পদ্ধতিতে হবে এনসিএল। এবার চারদিনের ম্যাচের সঙ্গে এনসিএলে যোগ হবে টি-টোয়েন্টিও।

১৬ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়ানোর কথা দেশের সবচেয়ে পুরাতন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আগামী আসর। তার আগে অংশগ্রহণকারী দলের কোচ, অধিনায়ক বা প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ করেছেন জাতীয় নির্বাচক এবং বিসিবি সভাপতির সঙ্গে। বিভিন্ন দলের প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন সাইফ হাসান, নাঈম শেখ, আকবর আলী, মিজানুর রহমান বাবুল, সাইফুল ইসলামরা।

সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাঈম চেয়েছেন ভাল মাঠ ও উইকেটের সুবিধা, সাইফ হাসান বলেছেন ডিউক বলে খেলায় আসরের মানবৃদ্ধির কথা আর আকবর আলী জানিয়েছেন অবশেষে যেন অনেকদিন ধরে শুনে আসা বিপিএলের বাইরে আরেকটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়।

বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির ম্যানেজার আরিফ দেশ রূপান্তরকে জানান, ‘এবারের এনসিএল সিঙ্গেল লিগ হবে, কোন টায়ার পদ্ধতি থাকবে না। দক্ষিণ আফ্রকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের সময় চট্টগ্রাম ও সিলেট ভেন্যু পাওয়া যাবে না, রাজশাহীতে অনূর্ধ-১৯ দল অনুশীলন করবে। এর বাইরে কক্সবাজারের দুই মাঠ, ফতুল্লা,মিরপুর,বগুড়া এসব ভেন্যুতে খেলা হবে।’

জাতীয় নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক  বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, বাংলাদেশের সেরা টুর্নামেন্ট হয় এনসিএল। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর আমি টানা ৬ বছর এনসিএল খেলেছি।’

এবারের আসরের আগে দলের প্রাথমিক খেলোয়াড় তালিকাটা একটু ছোট করে আনার কাজই বুধবারে শেষ করলেন নির্বাচকরা, জানিয়েছেন রাজ্জাক, ‘জাতীয় লিগের জন্য প্রাথমিক যে দলটা হয়, ৩০ সদস্যের, সেটা থেকে ফিটনেস ক্যাম্পের জন্য অধিনায়ক ও কোচকে ডেকে ওটা থেকে একটু কমিয়ে ২০-২৫ জনে নামিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করি, ওটাই আজকে হয়েছে।’

রাজ্জাক জানান, এবার এনসিএলে টি-টোয়েন্টি যোগ করা হয়েছে,‘আগে চারদিনের ম্যাচ হবে, পরে হবে টি-টোয়েন্টি।’